যশোর শহর ও শহরতলীতে মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারী চক্রের ‘কাপল টার্গেট’ বা প্রেমিক-প্রেমিকাদের জিম্মি করে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী লুটে নেওয়ার এক নতুন কৌশল উদ্বেগ তৈরি করেছে। অপরাধীরা মূলত ফাঁকা রাস্তা বা রিকশায় যাতায়াতকারী নারী-পুরুষদের গতিরোধ করে অভিভাবককে জানানোর ভয় দেখায় এবং পরবর্তীতে অস্ত্র ঠেকিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ বিকাশ ও ডেবিট কার্ডের পিন নম্বর হাতিয়ে নেয়। গত ২ জুন রাতে শহরের ব্যস্ততম মুজিব সড়কের পঙ্গু হাসপাতালের সামনে কলেজ শিক্ষার্থী সানি ও তার বান্ধবী একইভাবে এই চক্রের শিকার হন।
শহরের পৌরপার্ক, কালেক্টরেট চত্বর, চিত্রামোড়, রেলগেট ও আরবপুর মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেলে দুই থেকে তিন যুবক এই অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। সম্প্রতি রেলগেট তেঁতুলতলা এলাকায় দিনদুপুরে মাহফুজুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া শহরের পোস্ট অফিসপাড়া এবং চাঁচড়া এলাকায় নারী ও শিক্ষকদের পিছু নিয়ে হ্যারাজমেন্টের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ, বিগত দিনে এই চক্রের বিরুদ্ধে মামলা হলেও বর্তমানে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে তারা পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
ছিনতাইয়ের পাশাপাশি শহরজুড়ে নতুন করে উপদ্রব বেড়েছে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) এর দামি তামার তার বা ক্যাবল চুরির। চলতি সপ্তাহে শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়া এলাকায় একাধিক বাড়ি থেকে এই মূল্যবান ক্যাবল চুরি হয়েছে, যার ফলে প্রতি চুরিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ১০-১৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানান, ছিনতাইয়ের এই নতুন কৌশল এবং ক্যাবল চুরির বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানালে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
যশোর শহর ও শহরতলীতে মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারী চক্রের ‘কাপল টার্গেট’ বা প্রেমিক-প্রেমিকাদের জিম্মি করে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী লুটে নেওয়ার এক নতুন কৌশল উদ্বেগ তৈরি করেছে। অপরাধীরা মূলত ফাঁকা রাস্তা বা রিকশায় যাতায়াতকারী নারী-পুরুষদের গতিরোধ করে অভিভাবককে জানানোর ভয় দেখায় এবং পরবর্তীতে অস্ত্র ঠেকিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ বিকাশ ও ডেবিট কার্ডের পিন নম্বর হাতিয়ে নেয়। গত ২ জুন রাতে শহরের ব্যস্ততম মুজিব সড়কের পঙ্গু হাসপাতালের সামনে কলেজ শিক্ষার্থী সানি ও তার বান্ধবী একইভাবে এই চক্রের শিকার হন।
শহরের পৌরপার্ক, কালেক্টরেট চত্বর, চিত্রামোড়, রেলগেট ও আরবপুর মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেলে দুই থেকে তিন যুবক এই অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। সম্প্রতি রেলগেট তেঁতুলতলা এলাকায় দিনদুপুরে মাহফুজুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া শহরের পোস্ট অফিসপাড়া এবং চাঁচড়া এলাকায় নারী ও শিক্ষকদের পিছু নিয়ে হ্যারাজমেন্টের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ, বিগত দিনে এই চক্রের বিরুদ্ধে মামলা হলেও বর্তমানে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে তারা পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
ছিনতাইয়ের পাশাপাশি শহরজুড়ে নতুন করে উপদ্রব বেড়েছে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) এর দামি তামার তার বা ক্যাবল চুরির। চলতি সপ্তাহে শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়া এলাকায় একাধিক বাড়ি থেকে এই মূল্যবান ক্যাবল চুরি হয়েছে, যার ফলে প্রতি চুরিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ১০-১৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানান, ছিনতাইয়ের এই নতুন কৌশল এবং ক্যাবল চুরির বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানালে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন