ঢাকা নিউজ

ভারত মহাসাগরে ইরানি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর তল্লাশি অভিযান



ভারত মহাসাগরে ইরানি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর তল্লাশি অভিযান
ছবি : সংগৃহীত

ভারত মহাসাগরে একটি পতাকাবিহীন ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সফল অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মার্কিন যুদ্ধ মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 'এম/টি ম্যাজেস্টিক এক্স' নামের ওই জাহাজটি ইরান থেকে অবৈধভাবে তেল পরিবহন করছিল বলে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনী রাতভর অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এই সামুদ্রিক হস্তক্ষেপ ও তল্লাশি অভিযান চালায়। পেন্টাগন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইরানের অবৈধ নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে এবং দেশটিকে সহায়তা করা জাহাজগুলো আটক করতে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জাহাজটি কোনো দেশের নিবন্ধিত বা পতাকাধারী না হওয়ায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন অনুযায়ী মার্কিন বাহিনী এটিতে তল্লাশি চালানোর বিশেষ ক্ষমতা পায়।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের ওপর শুরু হওয়া কঠোর নৌ-অবরোধের পর থেকে সমুদ্রপথে নজরদারি ও আটকের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর আগে ওমান উপসাগর এবং মালয়েশিয়া ও ভারতের কাছাকাছি এলাকা থেকে আরও কয়েকটি সুপারট্যাঙ্কার জব্দ করা হয়েছিল। এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে।

যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু যুদ্ধবিরতির খবর শোনা যাচ্ছে, তবে সমুদ্রপথে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি জাহাজ জব্দ এবং অবরোধের ঘটনা প্রমাণ করে যে সংকটের রেশ এখনো কাটেনি। আন্তর্জাতিক জলসীমাকে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত পক্ষগুলোর জন্য অনিরাপদ করে তোলার মাধ্যমে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ভারত মহাসাগরে ইরানি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর তল্লাশি অভিযান

প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ভারত মহাসাগরে একটি পতাকাবিহীন ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সফল অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মার্কিন যুদ্ধ মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 'এম/টি ম্যাজেস্টিক এক্স' নামের ওই জাহাজটি ইরান থেকে অবৈধভাবে তেল পরিবহন করছিল বলে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনী রাতভর অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এই সামুদ্রিক হস্তক্ষেপ ও তল্লাশি অভিযান চালায়। পেন্টাগন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইরানের অবৈধ নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে এবং দেশটিকে সহায়তা করা জাহাজগুলো আটক করতে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জাহাজটি কোনো দেশের নিবন্ধিত বা পতাকাধারী না হওয়ায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন অনুযায়ী মার্কিন বাহিনী এটিতে তল্লাশি চালানোর বিশেষ ক্ষমতা পায়।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের ওপর শুরু হওয়া কঠোর নৌ-অবরোধের পর থেকে সমুদ্রপথে নজরদারি ও আটকের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর আগে ওমান উপসাগর এবং মালয়েশিয়া ও ভারতের কাছাকাছি এলাকা থেকে আরও কয়েকটি সুপারট্যাঙ্কার জব্দ করা হয়েছিল। এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে।

যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু যুদ্ধবিরতির খবর শোনা যাচ্ছে, তবে সমুদ্রপথে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি জাহাজ জব্দ এবং অবরোধের ঘটনা প্রমাণ করে যে সংকটের রেশ এখনো কাটেনি। আন্তর্জাতিক জলসীমাকে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত পক্ষগুলোর জন্য অনিরাপদ করে তোলার মাধ্যমে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ