যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করা হলেও, বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে শাসনব্যবস্থার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ কার হাতে রয়েছে, তা নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
বিবিসি ফার্সির তথ্য অনুযায়ী, নতুন নেতা মোজতবা খামেনিকে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী মনে করা হলেও, গত মার্চের শুরুর পর থেকে তাঁকে এখনো জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও বা ছবিতেও তাঁর উপস্থিতি নেই। যদিও সরকারি কর্মকর্তারা দাবি করছেন যে, আন্তর্জাতিক আলোচনাকারীরা খামেনির ‘নির্দেশনা’ অনুযায়ী কাজ করছেন, তবে তাঁর নামে প্রচারিত বার্তাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই মুহূর্তে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অত্যন্ত সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে গালিবাফের সাথে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গভীর সম্পর্ক থাকায় যুদ্ধকালীন এই সময়ে তাঁর প্রভাব অনেক বেশি। যদিও আইআরজিসি তাদের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হারিয়েছে, তবুও তারা প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পাশাপাশি একটি সমান্তরাল শক্তি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিলেও নীতি নির্ধারণে তাঁর প্রকৃত ক্ষমতা কতটুকু তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে ইরানের অনাগ্রহ এবং আইআরজিসির প্রভাবশালী ভূমিকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দেশটির শাসন কাঠামো এখন একাধিক শক্তিশালী বলয়ের মধ্যে বিভক্ত।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করা হলেও, বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে শাসনব্যবস্থার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ কার হাতে রয়েছে, তা নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
বিবিসি ফার্সির তথ্য অনুযায়ী, নতুন নেতা মোজতবা খামেনিকে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী মনে করা হলেও, গত মার্চের শুরুর পর থেকে তাঁকে এখনো জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও বা ছবিতেও তাঁর উপস্থিতি নেই। যদিও সরকারি কর্মকর্তারা দাবি করছেন যে, আন্তর্জাতিক আলোচনাকারীরা খামেনির ‘নির্দেশনা’ অনুযায়ী কাজ করছেন, তবে তাঁর নামে প্রচারিত বার্তাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই মুহূর্তে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অত্যন্ত সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে গালিবাফের সাথে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গভীর সম্পর্ক থাকায় যুদ্ধকালীন এই সময়ে তাঁর প্রভাব অনেক বেশি। যদিও আইআরজিসি তাদের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হারিয়েছে, তবুও তারা প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পাশাপাশি একটি সমান্তরাল শক্তি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিলেও নীতি নির্ধারণে তাঁর প্রকৃত ক্ষমতা কতটুকু তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে ইরানের অনাগ্রহ এবং আইআরজিসির প্রভাবশালী ভূমিকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দেশটির শাসন কাঠামো এখন একাধিক শক্তিশালী বলয়ের মধ্যে বিভক্ত।

আপনার মতামত লিখুন