ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক গোলাবারুদ ও অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের মজুত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, যুদ্ধের চাহিদা মেটাতে পেন্টাগন তাদের এশিয়া ও ইউরোপীয় কমান্ড থেকে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষা করা ওয়াশিংটনের জন্য এখন বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দুটি স্বাধীন গবেষণা সংস্থার দাবি অনুযায়ী, এই যুদ্ধের পেছনে এ পর্যন্ত ২৮ বিলিয়ন থেকে ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে, যার অর্থ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ কোটি ডলার ব্যয় করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে নির্ভুল লক্ষ্যভেদে সক্ষম প্রিসিশন-স্ট্রাইক মিসাইল, এটিএসিএমএস (ATACMS) এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের মতো ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের অত্যাধুনিক অস্ত্রের উৎপাদন প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় স্বল্প সময়ে এই শূন্যতা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে গিয়ে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে, বিশেষ করে এশিয়া ও ইউরোপে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে। এশিয়া ও ইউরোপ থেকে সরঞ্জাম সরিয়ে আনায় ওই অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পেন্টাগন বর্তমানে প্রতিরক্ষা উৎপাদন শিল্পকে গতিশীল করার চেষ্টা করলেও বর্তমান বিশাল চাহিদার তুলনায় তা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। পুরো বিশ্বের নজর এখন ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক গোলাবারুদ ও অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের মজুত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, যুদ্ধের চাহিদা মেটাতে পেন্টাগন তাদের এশিয়া ও ইউরোপীয় কমান্ড থেকে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষা করা ওয়াশিংটনের জন্য এখন বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দুটি স্বাধীন গবেষণা সংস্থার দাবি অনুযায়ী, এই যুদ্ধের পেছনে এ পর্যন্ত ২৮ বিলিয়ন থেকে ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে, যার অর্থ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ কোটি ডলার ব্যয় করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে নির্ভুল লক্ষ্যভেদে সক্ষম প্রিসিশন-স্ট্রাইক মিসাইল, এটিএসিএমএস (ATACMS) এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের মতো ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের অত্যাধুনিক অস্ত্রের উৎপাদন প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় স্বল্প সময়ে এই শূন্যতা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে গিয়ে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে, বিশেষ করে এশিয়া ও ইউরোপে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে। এশিয়া ও ইউরোপ থেকে সরঞ্জাম সরিয়ে আনায় ওই অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পেন্টাগন বর্তমানে প্রতিরক্ষা উৎপাদন শিল্পকে গতিশীল করার চেষ্টা করলেও বর্তমান বিশাল চাহিদার তুলনায় তা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। পুরো বিশ্বের নজর এখন ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

আপনার মতামত লিখুন