ঢাকা নিউজ

শ্যামলীতে হাসপাতাল ও স্ট্রিট ফুড দোকানে চাঁদাবাজি: যুবদল কর্মী মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭



শ্যামলীতে হাসপাতাল ও স্ট্রিট ফুড দোকানে চাঁদাবাজি: যুবদল কর্মী মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর শ্যামলী ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় বেসরকারি হাসপাতাল এবং স্ট্রিট ফুডের দোকানগুলোতে ভয়াবহ চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল কর্মী মঈন উদ্দিনসহ সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার পর এই চক্রের দৌরাত্ম্য প্রকাশ্যে আসে। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে মঈন বাহিনী এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করে এবং অন্তত ৬০টি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে মাসিক প্রায় অর্ধকোটি টাকা চাঁদা আদায় করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রটি কেবল হাসপাতালেই নয়, আগারগাঁও এলাকার প্রায় ৩০০টি স্ট্রিট ফুডের দোকান থেকেও প্রতি মাসে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা করে চাঁদা তুলত। এছাড়া সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা, আবাসিক হোটেল এবং মাদক কারবারও মঈন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বাহিনীটি জমি দখল এবং কিশোর গ্যাং পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এমনকি ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের শেল্টারে তারা এই অপকর্ম চালিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মঈন উদ্দিনকে নড়াইল থেকে আটক করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে মঈনের চার সহযোগী—ফারুক হোসেন সুমন, লিটন মিয়া, ফালান মিয়া ও মো. রুবেলকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর এলাকার অন্যান্য ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরাও এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। চাঁদাবাজির এই সিন্ডিকেট নির্মূলে পুলিশ ও র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


শ্যামলীতে হাসপাতাল ও স্ট্রিট ফুড দোকানে চাঁদাবাজি: যুবদল কর্মী মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর শ্যামলী ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় বেসরকারি হাসপাতাল এবং স্ট্রিট ফুডের দোকানগুলোতে ভয়াবহ চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল কর্মী মঈন উদ্দিনসহ সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার পর এই চক্রের দৌরাত্ম্য প্রকাশ্যে আসে। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে মঈন বাহিনী এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করে এবং অন্তত ৬০টি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে মাসিক প্রায় অর্ধকোটি টাকা চাঁদা আদায় করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রটি কেবল হাসপাতালেই নয়, আগারগাঁও এলাকার প্রায় ৩০০টি স্ট্রিট ফুডের দোকান থেকেও প্রতি মাসে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা করে চাঁদা তুলত। এছাড়া সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা, আবাসিক হোটেল এবং মাদক কারবারও মঈন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বাহিনীটি জমি দখল এবং কিশোর গ্যাং পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এমনকি ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের শেল্টারে তারা এই অপকর্ম চালিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মঈন উদ্দিনকে নড়াইল থেকে আটক করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে মঈনের চার সহযোগী—ফারুক হোসেন সুমন, লিটন মিয়া, ফালান মিয়া ও মো. রুবেলকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর এলাকার অন্যান্য ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরাও এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। চাঁদাবাজির এই সিন্ডিকেট নির্মূলে পুলিশ ও র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ