জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের সাথে যারা প্রতারণা করবে, তারা ধুলোয় মিশে যাবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডাকসু সভাপতি সাদিক কায়েম। শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে গঠিত বর্তমান সরকার এখন জুলাই বিপ্লবের অবদানকে অস্বীকার করছে এবং বিপ্লবীদের সাথে প্রতারণা করে নিজেদের ফায়দা লুটছে।
সাদিক কায়েম বলেন, বিপ্লবীদের কষ্টের ফসল ঘরে তুলে এখন তাদেরই অবজ্ঞা করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি জুলাই অধ্যাদেশ বাতিল বা কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদ কায়েম করার চেষ্টা করা হয়, তবে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ তা রুখে দেবে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি জানান, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যা ইচ্ছা তা করার দিন শেষ হয়ে গেছে।
ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডাকসু সভাপতি বলেন, একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠন আবারও ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাস ও গণরুম কালচার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। গতকাল শিক্ষার্থীদের ওপর যে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাকে তিনি এই সন্ত্রাসী রাজনীতিরই অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করে রাজনীতি প্রতিষ্ঠার এই অপচেষ্টা প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি সরকারকে অবিলম্বে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এবং শিক্ষাঙ্গনে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যেকোনো ধরনের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের সাথে যারা প্রতারণা করবে, তারা ধুলোয় মিশে যাবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডাকসু সভাপতি সাদিক কায়েম। শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে গঠিত বর্তমান সরকার এখন জুলাই বিপ্লবের অবদানকে অস্বীকার করছে এবং বিপ্লবীদের সাথে প্রতারণা করে নিজেদের ফায়দা লুটছে।
সাদিক কায়েম বলেন, বিপ্লবীদের কষ্টের ফসল ঘরে তুলে এখন তাদেরই অবজ্ঞা করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি জুলাই অধ্যাদেশ বাতিল বা কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদ কায়েম করার চেষ্টা করা হয়, তবে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ তা রুখে দেবে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি জানান, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যা ইচ্ছা তা করার দিন শেষ হয়ে গেছে।
ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডাকসু সভাপতি বলেন, একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠন আবারও ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাস ও গণরুম কালচার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। গতকাল শিক্ষার্থীদের ওপর যে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাকে তিনি এই সন্ত্রাসী রাজনীতিরই অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করে রাজনীতি প্রতিষ্ঠার এই অপচেষ্টা প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি সরকারকে অবিলম্বে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এবং শিক্ষাঙ্গনে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যেকোনো ধরনের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন