রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়া বিশাল আকৃতির দুটি কাতল মাছ মোট ৮৬ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছ দুটির ওজন যথাক্রমে ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম ও ১৭ কেজি। ঢাকার গুলশান এলাকার এক শিল্পপতি এই মাছ দুটি কিনে নিয়েছেন।
শনিবার সকালে দৌলতদিয়া একতা মৎস্য আড়ৎ থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছ দুটি প্রথমে কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা। তিনি ২৫ কেজি ৫০০ গ্রামের মাছটি ২১০০ টাকা কেজি দরে এবং ১৭ কেজির মাছটি ১৭০০ টাকা কেজি দরে মোট ৮২ হাজার ৪৫০ টাকায় কেনেন। পরে ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ঢাকার ওই শিল্পপতির কাছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে মাছ দুটি পৌঁছে দেন তিনি।
মাছ দুটি ধরা পড়েছে জেলে বাবু সরদার এবং জামাল প্রামানিকের জালে। শুক্রবার রাতে পদ্মা ও যমুনার মোহনায় জাল ফেলে ভোরের দিকে তারা এই মাছগুলোর সন্ধান পান। জেলেরা জানান, বর্তমানে নদীতে প্রচুর বড় মাছ পাওয়া গেলেও জ্বালানি তেলের সংকটে তারা নিয়মিত ট্রলার চালাতে পারছেন না।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট জানান, এই অঞ্চলে প্রায়ই এমন বড় মাছ ধরা পড়ছে, যা জেলে ও ব্যবসায়ীদের লাভবান করছে। তবে এই এলাকায় মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা গেলে বংশবিস্তার সহজ হতো এবং মাছের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পেত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়া বিশাল আকৃতির দুটি কাতল মাছ মোট ৮৬ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছ দুটির ওজন যথাক্রমে ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম ও ১৭ কেজি। ঢাকার গুলশান এলাকার এক শিল্পপতি এই মাছ দুটি কিনে নিয়েছেন।
শনিবার সকালে দৌলতদিয়া একতা মৎস্য আড়ৎ থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছ দুটি প্রথমে কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা। তিনি ২৫ কেজি ৫০০ গ্রামের মাছটি ২১০০ টাকা কেজি দরে এবং ১৭ কেজির মাছটি ১৭০০ টাকা কেজি দরে মোট ৮২ হাজার ৪৫০ টাকায় কেনেন। পরে ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ঢাকার ওই শিল্পপতির কাছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে মাছ দুটি পৌঁছে দেন তিনি।
মাছ দুটি ধরা পড়েছে জেলে বাবু সরদার এবং জামাল প্রামানিকের জালে। শুক্রবার রাতে পদ্মা ও যমুনার মোহনায় জাল ফেলে ভোরের দিকে তারা এই মাছগুলোর সন্ধান পান। জেলেরা জানান, বর্তমানে নদীতে প্রচুর বড় মাছ পাওয়া গেলেও জ্বালানি তেলের সংকটে তারা নিয়মিত ট্রলার চালাতে পারছেন না।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট জানান, এই অঞ্চলে প্রায়ই এমন বড় মাছ ধরা পড়ছে, যা জেলে ও ব্যবসায়ীদের লাভবান করছে। তবে এই এলাকায় মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা গেলে বংশবিস্তার সহজ হতো এবং মাছের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পেত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন