লক্ষ্মীপুরে একটি বিয়ে বাড়িতে খাওয়ার টেবিলে বসা নিয়ে বর ও কনে পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বাড়ির পাশে মো. হারুনের বাড়িতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে ইব্রাহিম খলিল, অনিক, মেহেদী হাসান আনন্দ, রানা, ইয়ামিন, সামজিদ ও শাহ আলমসহ ছয়জন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। শুক্রবার হারুনের ছেলে ফারুক হোসেনের সঙ্গে ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে ছামিয়া আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার বরের বাড়িতে বৌভাতের খাবারের আয়োজন ছিল।
কনেপক্ষের লোকজনের অভিযোগ, দুপুরে তারা খেতে বসার সময় বরপক্ষের কিছু লোক চেয়ার ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই ব্যবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কনেপক্ষের লোকজন প্রতিবাদ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে বরপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় এবং কনেপক্ষের একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে।
ঘটনার বিষয়ে বরপক্ষের কেউ মন্তব্য করতে রাজি না হলেও পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহিন জানান, দুই পক্ষের সঙ্গেই প্রাথমিক কথা হয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে একটি বিয়ে বাড়িতে খাওয়ার টেবিলে বসা নিয়ে বর ও কনে পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বাড়ির পাশে মো. হারুনের বাড়িতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে ইব্রাহিম খলিল, অনিক, মেহেদী হাসান আনন্দ, রানা, ইয়ামিন, সামজিদ ও শাহ আলমসহ ছয়জন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। শুক্রবার হারুনের ছেলে ফারুক হোসেনের সঙ্গে ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে ছামিয়া আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার বরের বাড়িতে বৌভাতের খাবারের আয়োজন ছিল।
কনেপক্ষের লোকজনের অভিযোগ, দুপুরে তারা খেতে বসার সময় বরপক্ষের কিছু লোক চেয়ার ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই ব্যবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কনেপক্ষের লোকজন প্রতিবাদ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে বরপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় এবং কনেপক্ষের একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে।
ঘটনার বিষয়ে বরপক্ষের কেউ মন্তব্য করতে রাজি না হলেও পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহিন জানান, দুই পক্ষের সঙ্গেই প্রাথমিক কথা হয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন