ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত নির্দিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এর ফলে মাদক পাচারের অভিযোগে নিউ ইয়র্কে ফেডারেল আদালতে বিচারাধীন নিকোলাস মাদুরোর আইনি প্রতিরক্ষা খরচ এখন থেকে কারাকাস সরকার বহন করতে পারবে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন অভিযানে আটক হওয়ার পর থেকেই মাদুরো বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে রয়েছেন।
মাদুরোর আইনজীবী ব্যারি পোলাক এর আগে মামলাটি খারিজের আবেদন করেছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, ভেনেজুয়েলা সরকারকে আইনি খরচ পরিশোধে বাধা দেওয়া হলে তা মাদুরোর নিজের পছন্দের আইনজীবী পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে মার্কিন বিচার বিভাগ নিষেধাজ্ঞা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে মামলা খারিজের ওই আবেদনটি এখন আইনিভাবে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হয়ে পড়েছে।
এই বিচার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সমালোচকদের মতে, মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ভেনেজুয়েলা থেকে মার্কিন হেফাজতে নেওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে একটি বৈধ আইন প্রয়োগকারী অভিযান হিসেবে দাবি করছে। তাদের যুক্তি, বিতর্কিত নির্বাচনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আর স্বীকৃতি দেয় না, ফলে তিনি কোনো কূটনৈতিক দায়মুক্তি পাবেন না।
বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি কারাগারে আটক মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। মাদুরোর মতে, এই মামলা মূলত ভেনেজুয়েলার প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি রাজনৈতিক অজুহাত। অন্যদিকে, ম্যানহাটনের বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টেইন জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে আসামির আইনজীবী পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকারকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত নির্দিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এর ফলে মাদক পাচারের অভিযোগে নিউ ইয়র্কে ফেডারেল আদালতে বিচারাধীন নিকোলাস মাদুরোর আইনি প্রতিরক্ষা খরচ এখন থেকে কারাকাস সরকার বহন করতে পারবে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন অভিযানে আটক হওয়ার পর থেকেই মাদুরো বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে রয়েছেন।
মাদুরোর আইনজীবী ব্যারি পোলাক এর আগে মামলাটি খারিজের আবেদন করেছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, ভেনেজুয়েলা সরকারকে আইনি খরচ পরিশোধে বাধা দেওয়া হলে তা মাদুরোর নিজের পছন্দের আইনজীবী পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে মার্কিন বিচার বিভাগ নিষেধাজ্ঞা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে মামলা খারিজের ওই আবেদনটি এখন আইনিভাবে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হয়ে পড়েছে।
এই বিচার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সমালোচকদের মতে, মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ভেনেজুয়েলা থেকে মার্কিন হেফাজতে নেওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে একটি বৈধ আইন প্রয়োগকারী অভিযান হিসেবে দাবি করছে। তাদের যুক্তি, বিতর্কিত নির্বাচনের কারণে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আর স্বীকৃতি দেয় না, ফলে তিনি কোনো কূটনৈতিক দায়মুক্তি পাবেন না।
বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি কারাগারে আটক মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। মাদুরোর মতে, এই মামলা মূলত ভেনেজুয়েলার প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি রাজনৈতিক অজুহাত। অন্যদিকে, ম্যানহাটনের বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টেইন জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে আসামির আইনজীবী পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকারকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন