সৌদি আরবে হজের নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিজিট ভিসায় আগত ব্যক্তিদের অবৈধভাবে হজের উদ্দেশ্যে আবাসন সুবিধা বা আশ্রয় প্রদান করলে ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকার সমান। ওকাজ পত্রিকার বরাতে গালফ নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, কোনো হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যক্তিগত বাসস্থান বা অন্য যেকোনো স্থানে এই ধরনের দর্শকদের আবাসন সুবিধা প্রদান করা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই জরিমানার আওতায় কেবল আশ্রয়দাতাই নন, বরং যারা অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের তথ্য গোপন করবেন বা তাদের মক্কাসহ পবিত্র স্থানগুলোতে থাকার জন্য যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান করবেন, তাদেরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
হজ মৌসুমের শুরু অর্থাৎ জিলকদ মাসের প্রথম থেকে জিলহজ মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই কঠোর নিয়ম কার্যকর থাকবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা বিবেচনা করে জরিমানার পরিমাণ কয়েক গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। হজের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জনগণকে কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই আইন ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বড় ধরনের আইনি জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরবে হজের নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিজিট ভিসায় আগত ব্যক্তিদের অবৈধভাবে হজের উদ্দেশ্যে আবাসন সুবিধা বা আশ্রয় প্রদান করলে ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকার সমান। ওকাজ পত্রিকার বরাতে গালফ নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, কোনো হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যক্তিগত বাসস্থান বা অন্য যেকোনো স্থানে এই ধরনের দর্শকদের আবাসন সুবিধা প্রদান করা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই জরিমানার আওতায় কেবল আশ্রয়দাতাই নন, বরং যারা অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের তথ্য গোপন করবেন বা তাদের মক্কাসহ পবিত্র স্থানগুলোতে থাকার জন্য যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান করবেন, তাদেরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
হজ মৌসুমের শুরু অর্থাৎ জিলকদ মাসের প্রথম থেকে জিলহজ মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই কঠোর নিয়ম কার্যকর থাকবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা বিবেচনা করে জরিমানার পরিমাণ কয়েক গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। হজের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জনগণকে কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই আইন ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বড় ধরনের আইনি জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন