রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ২ জন এবং নাটোর, বগুড়া ও পঞ্চগড়ে ১ জন করে মারা গেছেন। এসব ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্লাপুর ও ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুন্দরগঞ্জে বাড়ির বারান্দায় খেলা করার সময় বজ্রাঘাতে দুই শিশু ফুয়াদ ও রাফি মারা যায়। এছাড়া সাদুল্লাপুর ও ফুলছড়িতে জমিতে কাজ করার সময় আরও ৩ জন প্রাণ হারান।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবক মারা গেছেন। তারা দুজনেই বৃষ্টির মধ্যে মাঠে কাজ করছিলেন। একই সময়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ফসলি জমি থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক গৃহবধূ এবং নিজের জমি দেখতে গিয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।
জামালপুরের মেলান্দহ ও সদরে বজ্রপাতে এক গৃহবধূ ও এক কৃষক নিহত হয়েছেন। মেলান্দহে বাড়ির উঠানে রান্নার সময় মর্জিনা বেগম নামে এক নারী প্রাণ হারান এবং সদরের চর যথার্থপুরে জমিতে কাজ করার সময় এক কৃষক নিহত হন। এসব ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নাটোরের সিংড়ায় চলনবিলে ধান কাটতে গিয়ে সম্রাট নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বগুড়ার গাবতলীতে বৃষ্টির মধ্যে ধান রক্ষায় পলিথিন দিতে গিয়ে সুমন মিয়া নামের এক যুবক প্রাণ হারান। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতেও বজ্রপাতে ১ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। প্রতিটি এলাকাতেই এসব আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ২ জন এবং নাটোর, বগুড়া ও পঞ্চগড়ে ১ জন করে মারা গেছেন। এসব ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্লাপুর ও ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুন্দরগঞ্জে বাড়ির বারান্দায় খেলা করার সময় বজ্রাঘাতে দুই শিশু ফুয়াদ ও রাফি মারা যায়। এছাড়া সাদুল্লাপুর ও ফুলছড়িতে জমিতে কাজ করার সময় আরও ৩ জন প্রাণ হারান।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবক মারা গেছেন। তারা দুজনেই বৃষ্টির মধ্যে মাঠে কাজ করছিলেন। একই সময়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ফসলি জমি থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক গৃহবধূ এবং নিজের জমি দেখতে গিয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।
জামালপুরের মেলান্দহ ও সদরে বজ্রপাতে এক গৃহবধূ ও এক কৃষক নিহত হয়েছেন। মেলান্দহে বাড়ির উঠানে রান্নার সময় মর্জিনা বেগম নামে এক নারী প্রাণ হারান এবং সদরের চর যথার্থপুরে জমিতে কাজ করার সময় এক কৃষক নিহত হন। এসব ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নাটোরের সিংড়ায় চলনবিলে ধান কাটতে গিয়ে সম্রাট নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বগুড়ার গাবতলীতে বৃষ্টির মধ্যে ধান রক্ষায় পলিথিন দিতে গিয়ে সুমন মিয়া নামের এক যুবক প্রাণ হারান। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতেও বজ্রপাতে ১ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। প্রতিটি এলাকাতেই এসব আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন