পাবনার ঈশ্বরদীতে রাশিয়ান নাগরিকদের সঙ্গে থাকা তিন তরুণীকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। রোববার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার মানিকনগর ‘ল্যাংড়ার দোকান’ মোড় এলাকায় এই দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটে। তবে অপহরণের প্রায় এক ঘণ্টা পর দুর্বৃত্তরা ওই তরুণীদের ছেড়ে দিলে তারা নিজেরাই থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন রাশিয়ান নাগরিকের সঙ্গে ওই তিন তরুণী অটোরিকশাযোগে রূপপুর প্রকল্পের আবাসনের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একদল যুবক অটোরিকশাটির গতিরোধ করে এবং জোরপূর্বক তরুণীদের নামিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। এ সময় অপহরণকারীরা তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিলে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রাশিয়ান নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হলেও তারা অপহরণকারীদের বাধা দিতে পারেননি।
অপহরণের এক ঘণ্টা পর তিন তরুণী ঈশ্বরদী থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশকে জানান যে, তাদের কোনো শারীরিক ক্ষতি করা হয়নি। অপহরণকারীরা তাদের ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোনগুলোও ফেরত দিয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় ওই তরুণীরা পুলিশের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করতে রাজি হননি। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তরুণীরা স্বেচ্ছায় থানায় এসে নিরাপদ বোধ করায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকাশ্যে সড়ক থেকে এভাবে অপহরণ ও পরে কোনো কারণ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে রাশিয়ান নাগরিকদের সঙ্গে থাকা তিন তরুণীকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। রোববার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার মানিকনগর ‘ল্যাংড়ার দোকান’ মোড় এলাকায় এই দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটে। তবে অপহরণের প্রায় এক ঘণ্টা পর দুর্বৃত্তরা ওই তরুণীদের ছেড়ে দিলে তারা নিজেরাই থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন রাশিয়ান নাগরিকের সঙ্গে ওই তিন তরুণী অটোরিকশাযোগে রূপপুর প্রকল্পের আবাসনের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একদল যুবক অটোরিকশাটির গতিরোধ করে এবং জোরপূর্বক তরুণীদের নামিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। এ সময় অপহরণকারীরা তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিলে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রাশিয়ান নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হলেও তারা অপহরণকারীদের বাধা দিতে পারেননি।
অপহরণের এক ঘণ্টা পর তিন তরুণী ঈশ্বরদী থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশকে জানান যে, তাদের কোনো শারীরিক ক্ষতি করা হয়নি। অপহরণকারীরা তাদের ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোনগুলোও ফেরত দিয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় ওই তরুণীরা পুলিশের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করতে রাজি হননি। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তরুণীরা স্বেচ্ছায় থানায় এসে নিরাপদ বোধ করায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকাশ্যে সড়ক থেকে এভাবে অপহরণ ও পরে কোনো কারণ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন