জাতীয় সংসদে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতির কারণে সোমবারের অধিবেশনে নির্ধারিত কার্যসূচিতে নজিরবিহীন ছন্দপতন ঘটেছে। বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও তা ৬ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। এরপর জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিস নিষ্পত্তির সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রশ্নকর্তা সংসদ সদস্যদের কক্ষে না পাওয়ায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিধি ৭১-এর কার্যক্রম স্থগিত করে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা শুরু করতে বাধ্য হন। প্রায় এক ঘণ্টা পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত হলে পুনরায় আগের কার্যসূচিতে ফিরে আসে সংসদ।
সংসদের এই পরিস্থিতিতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল। তিনি অধিবেশন দেরিতে শুরু হওয়া এবং সদস্যদের অনুপস্থিতি নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জবাবে স্পিকার অত্যন্ত কড়া ভাষায় স্মরণ করিয়ে দেন যে, সংসদের কার্যক্রম যেকোনো সরকারি বা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের চেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে। তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
অধিবেশনের শুরুতে বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক রাজধানীর অবৈধ শিষা লাউঞ্জ বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোটিস দিলেও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। একইভাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নোটিসটিও অপেক্ষমাণ রাখা হয়। অন্যদিকে কামরুজ্জামান কামরুলের নোটিস নিষ্পত্তির সময় দেখা যায় নোটিসদাতা সদস্য নিজেই অনুপস্থিত। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে স্পিকারকে কয়েকবার কার্যসূচি পরিবর্তন করতে হয়।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সংসদে অনুপস্থিতি ও বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোর সফরে থাকায় অনেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য সেখানে গেছেন। তিনি অনিচ্ছাকৃত এই বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার আশ্বাস দেন। আসরের নামাজের বিরতির পর পুনরায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনার মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতির কারণে সোমবারের অধিবেশনে নির্ধারিত কার্যসূচিতে নজিরবিহীন ছন্দপতন ঘটেছে। বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও তা ৬ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। এরপর জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিস নিষ্পত্তির সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রশ্নকর্তা সংসদ সদস্যদের কক্ষে না পাওয়ায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিধি ৭১-এর কার্যক্রম স্থগিত করে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা শুরু করতে বাধ্য হন। প্রায় এক ঘণ্টা পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত হলে পুনরায় আগের কার্যসূচিতে ফিরে আসে সংসদ।
সংসদের এই পরিস্থিতিতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল। তিনি অধিবেশন দেরিতে শুরু হওয়া এবং সদস্যদের অনুপস্থিতি নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জবাবে স্পিকার অত্যন্ত কড়া ভাষায় স্মরণ করিয়ে দেন যে, সংসদের কার্যক্রম যেকোনো সরকারি বা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের চেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে। তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
অধিবেশনের শুরুতে বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক রাজধানীর অবৈধ শিষা লাউঞ্জ বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোটিস দিলেও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। একইভাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নোটিসটিও অপেক্ষমাণ রাখা হয়। অন্যদিকে কামরুজ্জামান কামরুলের নোটিস নিষ্পত্তির সময় দেখা যায় নোটিসদাতা সদস্য নিজেই অনুপস্থিত। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে স্পিকারকে কয়েকবার কার্যসূচি পরিবর্তন করতে হয়।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সংসদে অনুপস্থিতি ও বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোর সফরে থাকায় অনেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য সেখানে গেছেন। তিনি অনিচ্ছাকৃত এই বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার আশ্বাস দেন। আসরের নামাজের বিরতির পর পুনরায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনার মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে।

আপনার মতামত লিখুন