সারাদেশে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমাতে ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে প্রায় ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে আদানি প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সফলভাবে সমন্বিত হওয়ার পর এই বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, বর্তমানে ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে এবং এই সরবরাহের পরিমাণ ধীরে ধীরে আরও বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত এই বিদ্যুৎ জাতীয় পর্যায়ে মোট উৎপাদন বাড়িয়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এছাড়া বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক করতে আজ ২৮ এপ্রিল থেকে এসএস পাওয়ার এবং আরএনপিএল (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও নরিনকোর যৌথ উদ্যোগ) থেকে আরও ৬০০ মেগাওয়াট করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পাওয়ার কথা রয়েছে।
বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। সেই তুলনায় আদানির সরবরাহ ছাড়াই সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১২ মেগাওয়াট। নতুন এই বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ায় উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যকার ঘাটতি অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমাতে ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে প্রায় ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে আদানি প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সফলভাবে সমন্বিত হওয়ার পর এই বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, বর্তমানে ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে এবং এই সরবরাহের পরিমাণ ধীরে ধীরে আরও বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত এই বিদ্যুৎ জাতীয় পর্যায়ে মোট উৎপাদন বাড়িয়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এছাড়া বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক করতে আজ ২৮ এপ্রিল থেকে এসএস পাওয়ার এবং আরএনপিএল (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও নরিনকোর যৌথ উদ্যোগ) থেকে আরও ৬০০ মেগাওয়াট করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পাওয়ার কথা রয়েছে।
বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। সেই তুলনায় আদানির সরবরাহ ছাড়াই সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১২ মেগাওয়াট। নতুন এই বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ায় উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যকার ঘাটতি অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন