যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। সংঘাত নিরসনে কোনো কার্যকর সমাধান না আসায় মঙ্গলবার টানা সপ্তম দিনের মতো অপরিশোধিত তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে জুন মাসে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ৪৫ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০৮.৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে এই তেলের দাম ২.৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। একইভাবে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৫৮ সেন্ট বা ০.৬ শতাংশ বেড়ে ৯৬.৯৬ ডলারে পৌঁছেছে।
জ্বালানি তেলের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা তারা জনসমক্ষে বা গণমাধ্যমের মাধ্যমে চালিয়ে যেতে আগ্রহী নয়। হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি অলিভিয়া ওয়েলস এক বিবৃতিতে জানান, অত্যন্ত স্পর্শকাতর কূটনৈতিক বিষয় হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের প্রকাশ্য দরকষাকষি করবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমেরিকান জনগণের স্বার্থরক্ষা এবং ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা ওয়াশিংটনের প্রধান শর্ত। এই নাটাই নিজেদের হাতে রেখেই যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে, যার সরাসরি প্রভাব বর্তমানে বিশ্ব তেলের বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। সংঘাত নিরসনে কোনো কার্যকর সমাধান না আসায় মঙ্গলবার টানা সপ্তম দিনের মতো অপরিশোধিত তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে জুন মাসে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ৪৫ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০৮.৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে এই তেলের দাম ২.৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। একইভাবে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৫৮ সেন্ট বা ০.৬ শতাংশ বেড়ে ৯৬.৯৬ ডলারে পৌঁছেছে।
জ্বালানি তেলের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা তারা জনসমক্ষে বা গণমাধ্যমের মাধ্যমে চালিয়ে যেতে আগ্রহী নয়। হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি অলিভিয়া ওয়েলস এক বিবৃতিতে জানান, অত্যন্ত স্পর্শকাতর কূটনৈতিক বিষয় হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের প্রকাশ্য দরকষাকষি করবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমেরিকান জনগণের স্বার্থরক্ষা এবং ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা ওয়াশিংটনের প্রধান শর্ত। এই নাটাই নিজেদের হাতে রেখেই যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে, যার সরাসরি প্রভাব বর্তমানে বিশ্ব তেলের বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন