সংসদে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে বিতর্ককে কেন্দ্র করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সম্প্রতি সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের করা "মুক্তিযোদ্ধা পরিবার জামায়াত করতে পারে না" শীর্ষক মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাজনৈতিক আদর্শ বেছে নিতে তাকে কেন অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করতে হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, কোন দল বা আদর্শ অনুসরণ করবেন তা সম্পূর্ণ তার নাগরিক অধিকার, যার ওপর হস্তক্ষেপ করার অধিকার রাষ্ট্র বা সংবিধান কাউকে দেয়নি। তিনি ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের ওপর আঘাত এবং একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি স্পিকারের কাছে ওই 'অসংসদীয়' বক্তব্যটি সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার (এক্সপাঞ্জ) অনুরোধ জানান।
এর আগে ফজলুর রহমান সংসদে দাবি করেন যে, কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য জামায়াত করলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন। তার এই বক্তব্যে সংসদে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ডা. শফিকুর রহমান এই দাবির বিপরীতে যুক্তি দিয়ে বলেন, নিজের অবদান বর্ণনা করতে গিয়ে অন্যের পরিচয়ের ওপর আঘাত করা শিষ্টাচার বহির্ভূত।
সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান সংসদ সদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তি ফুরিয়ে গেলে মানুষ মাথা গরম করে, যা সংসদ ও দেশবাসীর জন্য কাম্য নয়। তিনি সংসদকে যুক্তি ও সত্যনির্ভর আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত করার ওপর জোর দেন যাতে জনগণের আস্থা অক্ষুণ্ণ থাকে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে বিতর্ককে কেন্দ্র করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সম্প্রতি সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের করা "মুক্তিযোদ্ধা পরিবার জামায়াত করতে পারে না" শীর্ষক মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাজনৈতিক আদর্শ বেছে নিতে তাকে কেন অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করতে হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, কোন দল বা আদর্শ অনুসরণ করবেন তা সম্পূর্ণ তার নাগরিক অধিকার, যার ওপর হস্তক্ষেপ করার অধিকার রাষ্ট্র বা সংবিধান কাউকে দেয়নি। তিনি ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের ওপর আঘাত এবং একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি স্পিকারের কাছে ওই 'অসংসদীয়' বক্তব্যটি সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার (এক্সপাঞ্জ) অনুরোধ জানান।
এর আগে ফজলুর রহমান সংসদে দাবি করেন যে, কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য জামায়াত করলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন। তার এই বক্তব্যে সংসদে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ডা. শফিকুর রহমান এই দাবির বিপরীতে যুক্তি দিয়ে বলেন, নিজের অবদান বর্ণনা করতে গিয়ে অন্যের পরিচয়ের ওপর আঘাত করা শিষ্টাচার বহির্ভূত।
সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান সংসদ সদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তি ফুরিয়ে গেলে মানুষ মাথা গরম করে, যা সংসদ ও দেশবাসীর জন্য কাম্য নয়। তিনি সংসদকে যুক্তি ও সত্যনির্ভর আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত করার ওপর জোর দেন যাতে জনগণের আস্থা অক্ষুণ্ণ থাকে।

আপনার মতামত লিখুন