প্রবল বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য টানা তিন মাস বিশেষ সরকারি সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২৪তম দিনে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই জরুরি পদক্ষেপের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো কৃষকই যেন সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন দিন আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসনকে আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত তালিকা তৈরি করে আগামী তিন মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে এই সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর সঙ্গে সংকট মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে আলোচনা করেছেন বলে সংসদকে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হবে। প্রশাসনের বিশেষ নজরদারির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি কৃষক পরিবারের কাছে সরকারি সাহায্য পৌঁছে দেওয়া সরকারের অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার সবসময় কৃষকদের পাশে আছে। ফসল হারিয়ে দিশেহারা কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে পুনরায় সচল করতে এই তিন মাসের বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও এই তালিকা প্রণয়ন ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রবল বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য টানা তিন মাস বিশেষ সরকারি সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২৪তম দিনে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই জরুরি পদক্ষেপের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো কৃষকই যেন সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন দিন আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসনকে আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত তালিকা তৈরি করে আগামী তিন মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে এই সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর সঙ্গে সংকট মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে আলোচনা করেছেন বলে সংসদকে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা হবে। প্রশাসনের বিশেষ নজরদারির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি কৃষক পরিবারের কাছে সরকারি সাহায্য পৌঁছে দেওয়া সরকারের অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার সবসময় কৃষকদের পাশে আছে। ফসল হারিয়ে দিশেহারা কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে পুনরায় সচল করতে এই তিন মাসের বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও এই তালিকা প্রণয়ন ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন