দেশজুড়ে শুরু হওয়া ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলাতেও দ্রুত পানি বাড়তে থাকায় যে কোনো সময় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের নিকলীতে দেশের সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া ভোলা, ফেনী, ময়মনসিংহসহ মোট ৯টি জেলায় অতিভারি বর্ষণ হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ১ মে পর্যন্ত এই ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে সাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাসের প্রভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের ৪টি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে নেত্রকোণার ভুগাই কংশ নদী বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার এবং মৌলভীবাজারের মনু নদী ৭২ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। নেত্রকোণা ও মৌলভীবাজারের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
প্রবল বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দুর্ঘটনা এড়াতে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশজুড়ে শুরু হওয়া ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলাতেও দ্রুত পানি বাড়তে থাকায় যে কোনো সময় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের নিকলীতে দেশের সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া ভোলা, ফেনী, ময়মনসিংহসহ মোট ৯টি জেলায় অতিভারি বর্ষণ হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ১ মে পর্যন্ত এই ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে সাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাসের প্রভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের ৪টি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে নেত্রকোণার ভুগাই কংশ নদী বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার এবং মৌলভীবাজারের মনু নদী ৭২ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। নেত্রকোণা ও মৌলভীবাজারের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
প্রবল বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দুর্ঘটনা এড়াতে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন