দেশের বৃহত্তম বার ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ কার্যকরী কমিটির দুই দিনব্যাপী নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার টানা দুই দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই নির্বাচনে মোট ২০ হাজার ৭৮৫ জন ভোটারের মধ্যে ৭ হাজার ৬৯ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নির্বাচনে ভোট প্রদানের হার প্রায় ৩৪ শতাংশ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন জানান, প্রায় দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচনে আইনজীবীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিয়েছেন এবং প্রার্থীরাও ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গণনা শুরু হবে। সব ঠিক থাকলে শুক্রবার রাত অথবা শনিবার সকালের মধ্যে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে।
এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কারণে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ অংশ নেয়নি। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘নীল প্যানেল’ এবং জামায়াত ও এনসিপি সমর্থিত ‘সবুজ প্যানেলে’র মধ্যে। দুই প্যানেলের ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন প্রার্থী ছাড়াও ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিভিন্ন পদে এই নির্বাচনে লড়ছেন।
নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান এবং সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস. এম. কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ভোট উপহার দিতে পেরে নির্বাচন কমিশন সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং উভয় প্যানেলই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বৃহত্তম বার ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ কার্যকরী কমিটির দুই দিনব্যাপী নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার টানা দুই দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই নির্বাচনে মোট ২০ হাজার ৭৮৫ জন ভোটারের মধ্যে ৭ হাজার ৬৯ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নির্বাচনে ভোট প্রদানের হার প্রায় ৩৪ শতাংশ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন জানান, প্রায় দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচনে আইনজীবীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিয়েছেন এবং প্রার্থীরাও ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গণনা শুরু হবে। সব ঠিক থাকলে শুক্রবার রাত অথবা শনিবার সকালের মধ্যে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে।
এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কারণে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ অংশ নেয়নি। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘নীল প্যানেল’ এবং জামায়াত ও এনসিপি সমর্থিত ‘সবুজ প্যানেলে’র মধ্যে। দুই প্যানেলের ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন প্রার্থী ছাড়াও ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিভিন্ন পদে এই নির্বাচনে লড়ছেন।
নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান এবং সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস. এম. কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ভোট উপহার দিতে পেরে নির্বাচন কমিশন সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং উভয় প্যানেলই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন