জয়পুরহাটে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি হিসেবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাত নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাটের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক মিলন চন্দ্র পাল তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো নেতাদের মধ্যে রয়েছেন কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান, সহ-সভাপতি ও পুনট ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস ফকির, জিন্দারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং কালাই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও জিন্দারপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান। তালিকায় আরও রয়েছেন আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকবর আলী, কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এনামুল হোসেন ফকির এবং সাবেক ছাত্রনেতা মিনহাজুর রহমান মিথুন।
জয়পুরহাটের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট শাহানুর রহমান শাহীন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই নেতারা জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের মামলার আসামি হিসেবে পলাতক ছিলেন। আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে শুনানি শেষে বিচারক তাদের আবেদন নাকচ করেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরে কড়া পুলিশি পাহারায় আত্মসমর্পণকারী এই সাত নেতাকে জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলাগুলোর আইনি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
জয়পুরহাটে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি হিসেবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাত নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাটের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক মিলন চন্দ্র পাল তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো নেতাদের মধ্যে রয়েছেন কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান, সহ-সভাপতি ও পুনট ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস ফকির, জিন্দারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং কালাই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও জিন্দারপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান। তালিকায় আরও রয়েছেন আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকবর আলী, কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এনামুল হোসেন ফকির এবং সাবেক ছাত্রনেতা মিনহাজুর রহমান মিথুন।
জয়পুরহাটের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট শাহানুর রহমান শাহীন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই নেতারা জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের মামলার আসামি হিসেবে পলাতক ছিলেন। আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে শুনানি শেষে বিচারক তাদের আবেদন নাকচ করেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরে কড়া পুলিশি পাহারায় আত্মসমর্পণকারী এই সাত নেতাকে জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলাগুলোর আইনি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন