জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় নিজের নির্ধারিত আসনে না গিয়ে পেছনের সারিতে বসে সংসদীয় শিষ্টাচার ও শৃঙ্খলার এক অনন্য নজির দেখালেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার সময় এই ঘটনাটি ঘটে।
অধিবেশন চলাকালে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, স্পিকার এবং বক্তব্যরত সদস্যের মাঝখান দিয়ে যাতায়াত করা শৃঙ্খলা পরিপন্থী। প্রধানমন্ত্রী সেই বিধি মেনে আইনমন্ত্রীর সামনে দিয়ে নিজের আসনে না গিয়ে পেছনের একটি সাধারণ আসনে গিয়ে বসেন, যাতে বক্তার ফ্লোর ক্রসিং না হয়।
বিষয়টি নজরে আসার পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সংসদ নেতার এই আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উপস্থিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, সংসদে শৃঙ্খলা ও শালীনতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর এই আচরণ সবার জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংসদ নেতার এই ডিসেন্সি বা সৌজন্যবোধ থেকে অন্য সদস্যদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৭ (৪) উপবিধি অনুযায়ী, কোনো সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সময় তার এবং স্পিকারের চেয়ারের মাঝখান দিয়ে অন্য কেউ যাতায়াত করতে পারবেন না। এই বিধান মূলত সংসদীয় কার্যক্রমের মর্যাদা ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রণীত। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণ সংসদীয় রীতির প্রতি তাঁর শ্রদ্ধাশীলতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় নিজের নির্ধারিত আসনে না গিয়ে পেছনের সারিতে বসে সংসদীয় শিষ্টাচার ও শৃঙ্খলার এক অনন্য নজির দেখালেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার সময় এই ঘটনাটি ঘটে।
অধিবেশন চলাকালে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, স্পিকার এবং বক্তব্যরত সদস্যের মাঝখান দিয়ে যাতায়াত করা শৃঙ্খলা পরিপন্থী। প্রধানমন্ত্রী সেই বিধি মেনে আইনমন্ত্রীর সামনে দিয়ে নিজের আসনে না গিয়ে পেছনের একটি সাধারণ আসনে গিয়ে বসেন, যাতে বক্তার ফ্লোর ক্রসিং না হয়।
বিষয়টি নজরে আসার পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সংসদ নেতার এই আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উপস্থিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, সংসদে শৃঙ্খলা ও শালীনতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর এই আচরণ সবার জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংসদ নেতার এই ডিসেন্সি বা সৌজন্যবোধ থেকে অন্য সদস্যদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৭ (৪) উপবিধি অনুযায়ী, কোনো সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সময় তার এবং স্পিকারের চেয়ারের মাঝখান দিয়ে অন্য কেউ যাতায়াত করতে পারবেন না। এই বিধান মূলত সংসদীয় কার্যক্রমের মর্যাদা ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রণীত। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণ সংসদীয় রীতির প্রতি তাঁর শ্রদ্ধাশীলতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন