প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রী এবং দেশটির সরকারের বিশেষ দূত সুজুকি নরিকাজুর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন। বৈঠকে দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বিশেষ করে কৃষি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উন্নত প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়ে উভয় পক্ষ বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই সময় দুদেশের মৈত্রীকে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান ও হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রী এবং দেশটির সরকারের বিশেষ দূত সুজুকি নরিকাজুর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন। বৈঠকে দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বিশেষ করে কৃষি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উন্নত প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়ে উভয় পক্ষ বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই সময় দুদেশের মৈত্রীকে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান ও হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন