ঢাকা নিউজ

কুড়িগ্রামে কালবৈশাখির তাণ্ডবে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি



কুড়িগ্রামে কালবৈশাখির তাণ্ডবে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
ছবি : সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখি ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরোধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার ভোর রাতে প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বড় গাছ উপড়ে পড়ে এবং বিশেষ করে চরাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে অনেকের ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে এবং ঘর ভেঙে পড়েছে, যা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসী জানান, হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে গাছ ভেঙে টিনের চালের ওপর পড়ায় এবং ঘর ভেঙে যাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আর্থিক সংকটে থাকা এসব মানুষের পক্ষে দ্রুত ঘর মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাসের জায়গা হারিয়ে তারা এখন সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি কুড়িগ্রামের উপপরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাঠকর্মীদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত কৃষি প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, জেলায় কালবৈশাখি ঝড়সহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টা পর আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি পূর্বাভাস দিয়েছেন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান জানান, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে তালিকা প্রস্তুত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


কুড়িগ্রামে কালবৈশাখির তাণ্ডবে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখি ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরোধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার ভোর রাতে প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বড় গাছ উপড়ে পড়ে এবং বিশেষ করে চরাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে অনেকের ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে এবং ঘর ভেঙে পড়েছে, যা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসী জানান, হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে গাছ ভেঙে টিনের চালের ওপর পড়ায় এবং ঘর ভেঙে যাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আর্থিক সংকটে থাকা এসব মানুষের পক্ষে দ্রুত ঘর মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাসের জায়গা হারিয়ে তারা এখন সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি কুড়িগ্রামের উপপরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাঠকর্মীদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত কৃষি প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, জেলায় কালবৈশাখি ঝড়সহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টা পর আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি পূর্বাভাস দিয়েছেন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান জানান, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে তালিকা প্রস্তুত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ