মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২২ বছর বয়সী বাংলাদেশি ইনফ্লুয়েন্সার মোজাহিদ মিল্লাদের মৃত্যুর ঘটনায় এক সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩১ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন জাদ ফাইদ আরহানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়। গত ২৩ এপ্রিল ভোরে মাজু এক্সপ্রেসওয়েতে সামরিক কর্মকর্তার গাড়িটি বিপরীত লেনে ঢুকে একটি ই-হেইলিং গাড়িকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মোজাহিদের মৃত্যু হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট ইলি মারিসকা খালিজানের সামনে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় এই অভিযোগ পাঠ করা হয়। এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে আসামির মৃত্যুদণ্ড অথবা ৩০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডসহ বেত্রাঘাতের বিধান রয়েছে। মামলাটি উচ্চ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত হওয়ায় এদিন কোনো স্বীকারোক্তি গ্রহণ করা হয়নি এবং আসামির জামিন আবেদনও নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।
একই ঘটনায় পৃথক আরেকটি আদালতে জাদ ফাইদের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় চালক জায়লানি সাপিহ গুরুতর আহত হন এবং নিহত মোজাহিদের স্ত্রী নাফিসা তাবাসসুম আদিবাও আঘাতপ্রাপ্ত হন। সড়ক পরিবহন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার রিঙ্গিত জরিমানার বিধান রয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, মদ্যপ অবস্থায় থাকা ওই সামরিক কর্মকর্তার গাড়িটি ভুল লেনে ঢুকে বিমানবন্দর থেকে আসা যাত্রীবাহী গাড়িটির সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটায়। মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে মোজাহিদ মিল্লাত প্রাণ হারান। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২১ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২২ বছর বয়সী বাংলাদেশি ইনফ্লুয়েন্সার মোজাহিদ মিল্লাদের মৃত্যুর ঘটনায় এক সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩১ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন জাদ ফাইদ আরহানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়। গত ২৩ এপ্রিল ভোরে মাজু এক্সপ্রেসওয়েতে সামরিক কর্মকর্তার গাড়িটি বিপরীত লেনে ঢুকে একটি ই-হেইলিং গাড়িকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মোজাহিদের মৃত্যু হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট ইলি মারিসকা খালিজানের সামনে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় এই অভিযোগ পাঠ করা হয়। এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে আসামির মৃত্যুদণ্ড অথবা ৩০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডসহ বেত্রাঘাতের বিধান রয়েছে। মামলাটি উচ্চ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত হওয়ায় এদিন কোনো স্বীকারোক্তি গ্রহণ করা হয়নি এবং আসামির জামিন আবেদনও নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।
একই ঘটনায় পৃথক আরেকটি আদালতে জাদ ফাইদের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় চালক জায়লানি সাপিহ গুরুতর আহত হন এবং নিহত মোজাহিদের স্ত্রী নাফিসা তাবাসসুম আদিবাও আঘাতপ্রাপ্ত হন। সড়ক পরিবহন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার রিঙ্গিত জরিমানার বিধান রয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, মদ্যপ অবস্থায় থাকা ওই সামরিক কর্মকর্তার গাড়িটি ভুল লেনে ঢুকে বিমানবন্দর থেকে আসা যাত্রীবাহী গাড়িটির সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটায়। মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে মোজাহিদ মিল্লাত প্রাণ হারান। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২১ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন