সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন কিডনির মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে গরমের সময়ে 'নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ' বেশি ব্যবহার করলে কিডনি রোগের সম্ভাবনা প্রবল হয় বলে পাবমেড ও জন হপকিন্স মেডিসিনের গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগীর হার বাড়ার পেছনে অনিয়মিত জীবনযাপন ও ভুলভাবে ওষুধ সেবনকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষকদের মতে, কিডনি মূলত রক্ত পরিশোধনের কাজ করে, কিন্তু গরমে অতিরিক্ত ঘামের ফলে রক্তচাপ কমে গেলে কিডনির স্বাভাবিক রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। এই সময়ে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলে তা প্রয়োজনীয় রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেয়, ফলে কিডনিতে রক্তপ্রবাহ কমে গিয়ে স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। এছাড়া এসব ওষুধ শরীরে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদে কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যারা আগে থেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগে আক্রান্ত, তাদের জন্য ব্যথানাশক ওষুধ সেবন আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া শরীরে পানিশূন্যতা বা ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা থাকলে হুটহাট ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন কিডনির মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে গরমের সময়ে 'নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ' বেশি ব্যবহার করলে কিডনি রোগের সম্ভাবনা প্রবল হয় বলে পাবমেড ও জন হপকিন্স মেডিসিনের গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগীর হার বাড়ার পেছনে অনিয়মিত জীবনযাপন ও ভুলভাবে ওষুধ সেবনকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষকদের মতে, কিডনি মূলত রক্ত পরিশোধনের কাজ করে, কিন্তু গরমে অতিরিক্ত ঘামের ফলে রক্তচাপ কমে গেলে কিডনির স্বাভাবিক রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। এই সময়ে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলে তা প্রয়োজনীয় রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেয়, ফলে কিডনিতে রক্তপ্রবাহ কমে গিয়ে স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। এছাড়া এসব ওষুধ শরীরে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদে কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যারা আগে থেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগে আক্রান্ত, তাদের জন্য ব্যথানাশক ওষুধ সেবন আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া শরীরে পানিশূন্যতা বা ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা থাকলে হুটহাট ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন