ঢাকা নিউজ

পাহাড়ি ঢলে ভাসছে নেত্রকোনার হাওরের পাকা ধান



পাহাড়ি ঢলে ভাসছে নেত্রকোনার হাওরের পাকা ধান
ছবি : সংগৃহীত

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম হাহাকার ও আর্তনাদ ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার বিকেলে বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন হাওর পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, চোখের সামনে কষ্টের ফসল তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা কৃষকরা কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জেলার প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির ধান ইতিমধ্যে পানির নিচে চলে গেছে, যদিও স্থানীয়দের দাবি এই ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।

হাওরপাড়ের কৃষকরা জানিয়েছেন, হু হু করে পানি বাড়ায় তারা ধান কাটার সময় পাচ্ছেন না। একদিকে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটার জন্য শ্রমিকের তীব্র সংকট, অন্যদিকে আকাশ মেঘলা থাকায় কাটা ধান শুকানোরও কোনো উপায় নেই। একেকজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা এবং সেই সঙ্গে যাতায়াত ও নৌকা ভাড়া মিলিয়ে ধান ঘরে তোলা এখন সাধারণ কৃষকের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল হক আশ্বাস দিয়েছেন যে, দ্রুত তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, কংস ও ধনু নদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং বাঁধ রক্ষায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিন আরও ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ায় হাওরবাসীর উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


পাহাড়ি ঢলে ভাসছে নেত্রকোনার হাওরের পাকা ধান

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম হাহাকার ও আর্তনাদ ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার বিকেলে বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন হাওর পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, চোখের সামনে কষ্টের ফসল তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা কৃষকরা কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জেলার প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির ধান ইতিমধ্যে পানির নিচে চলে গেছে, যদিও স্থানীয়দের দাবি এই ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।

হাওরপাড়ের কৃষকরা জানিয়েছেন, হু হু করে পানি বাড়ায় তারা ধান কাটার সময় পাচ্ছেন না। একদিকে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটার জন্য শ্রমিকের তীব্র সংকট, অন্যদিকে আকাশ মেঘলা থাকায় কাটা ধান শুকানোরও কোনো উপায় নেই। একেকজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা এবং সেই সঙ্গে যাতায়াত ও নৌকা ভাড়া মিলিয়ে ধান ঘরে তোলা এখন সাধারণ কৃষকের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল হক আশ্বাস দিয়েছেন যে, দ্রুত তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, কংস ও ধনু নদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং বাঁধ রক্ষায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিন আরও ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ায় হাওরবাসীর উদ্বেগ আরও বেড়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ