বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব কারখানা সচল করা হবে, কারণ শ্রমিকরা ভালো থাকলেই দেশ ভালো থাকবে।
সমাবেশে বিগত সরকারের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী শাসকরা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল। শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এখন থেকে শ্রমিকদের স্ত্রীরা 'ফ্যামিলি কার্ড' সুবিধা পাবেন। এছাড়া কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং তাদের জন্য বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করার কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন ও কৃষি ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করলেও তারা সঠিক সময়ে সেচের পানি পায় না। এই সমস্যা সমাধানে সরকার দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। কৃষক ও শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলেই সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব কারখানা সচল করা হবে, কারণ শ্রমিকরা ভালো থাকলেই দেশ ভালো থাকবে।
সমাবেশে বিগত সরকারের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী শাসকরা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল। শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এখন থেকে শ্রমিকদের স্ত্রীরা 'ফ্যামিলি কার্ড' সুবিধা পাবেন। এছাড়া কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং তাদের জন্য বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করার কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন ও কৃষি ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করলেও তারা সঠিক সময়ে সেচের পানি পায় না। এই সমস্যা সমাধানে সরকার দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। কৃষক ও শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলেই সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আপনার মতামত লিখুন