শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং শ্রম খাতের সমস্যা নিরসনে সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের সমন্বিত ‘টিম ওয়ার্ক’ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শ্রমমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তার ফলে গত ঈদুল ফিতরে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ও ছুটি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছিল, যা শ্রম পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষেও মালিক ও শ্রমিক পক্ষকে নিয়ে একই ধরনের উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে মিরপুর কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ জন শ্রমিকের প্রত্যেক পরিবারের হাতে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়। এর আগে সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং আইএলও-র প্রতিনিধি সহ শ্রমিক ও মালিক পক্ষের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং শ্রম খাতের সমস্যা নিরসনে সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের সমন্বিত ‘টিম ওয়ার্ক’ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শ্রমমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তার ফলে গত ঈদুল ফিতরে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ও ছুটি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছিল, যা শ্রম পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষেও মালিক ও শ্রমিক পক্ষকে নিয়ে একই ধরনের উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে মিরপুর কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ জন শ্রমিকের প্রত্যেক পরিবারের হাতে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়। এর আগে সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং আইএলও-র প্রতিনিধি সহ শ্রমিক ও মালিক পক্ষের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন