দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল ইতিহাসে যুক্ত হলো নতুন এক গৌরবময় অধ্যায়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড গড়েছে কর্তৃপক্ষ। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও টার্মিনাল অপারেটর চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় এদিন মোট ৫ হাজার ৭০৯ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে, যা টার্মিনালটির ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ।
বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, কেবল একটি টার্মিনাল নয়, বরং গত ২৪ ঘণ্টায় বন্দরের সকল টার্মিনাল মিলিয়ে মোট ১০ হাজার ১৬২ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। এটি চট্টগ্রাম বন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতার এক বিশাল বহিঃপ্রকাশ। এর আগে গত ১১ এপ্রিল ৫ হাজার ৪৮৪ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের আগের রেকর্ডটি হয়েছিল।
মে দিবসের শুভক্ষণে এই অর্জনকে বন্দরের হাজারো শ্রমিকের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ। বন্দর সচিব আরও বলেন, শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, ঘাম এবং দেশপ্রেমের ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাই মহান মে দিবসের এই ঐতিহাসিক দিনে বন্দরের নতুন এই রেকর্ড সকল শ্রমিকদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অর্জন দেশের সমুদ্রপথে বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল ইতিহাসে যুক্ত হলো নতুন এক গৌরবময় অধ্যায়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড গড়েছে কর্তৃপক্ষ। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও টার্মিনাল অপারেটর চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় এদিন মোট ৫ হাজার ৭০৯ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে, যা টার্মিনালটির ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ।
বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, কেবল একটি টার্মিনাল নয়, বরং গত ২৪ ঘণ্টায় বন্দরের সকল টার্মিনাল মিলিয়ে মোট ১০ হাজার ১৬২ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। এটি চট্টগ্রাম বন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতার এক বিশাল বহিঃপ্রকাশ। এর আগে গত ১১ এপ্রিল ৫ হাজার ৪৮৪ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের আগের রেকর্ডটি হয়েছিল।
মে দিবসের শুভক্ষণে এই অর্জনকে বন্দরের হাজারো শ্রমিকের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ। বন্দর সচিব আরও বলেন, শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, ঘাম এবং দেশপ্রেমের ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাই মহান মে দিবসের এই ঐতিহাসিক দিনে বন্দরের নতুন এই রেকর্ড সকল শ্রমিকদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অর্জন দেশের সমুদ্রপথে বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন