উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর নাম করে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের মূল হোতা স্বপন কুমার রায়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ভাদুঘর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত স্বপন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ফার্মেসি ব্যবসায়ী। পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, এই প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীদের সাথে কথিত অস্ট্রেলিয়ান মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে যোগাযোগ করত। গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে মোট ৬০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। বড় অঙ্কের এই অর্থ আত্মসাতের পর চক্রটি সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, যা থেকে প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, স্বপন কুমার রায় অত্যন্ত সুকৌশলে কয়েকজন ব্যবসায়ী ও শিক্ষকের নামে তিনটি বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজের কাছে রাখতেন। পিবিআই এসব অ্যাকাউন্টে প্রায় ২৯ লাখ ৩২ হাজার টাকার বেশি লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে। এই অর্থ পরবর্তীতে স্বপন ও তার সহযোগীরা তুলে আত্মসাৎ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিবিআই-এর পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, সরাইল থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর স্বপন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য বর্তমানে পিবিআই-এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর নাম করে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের মূল হোতা স্বপন কুমার রায়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ভাদুঘর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত স্বপন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ফার্মেসি ব্যবসায়ী। পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, এই প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীদের সাথে কথিত অস্ট্রেলিয়ান মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে যোগাযোগ করত। গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে মোট ৬০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। বড় অঙ্কের এই অর্থ আত্মসাতের পর চক্রটি সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, যা থেকে প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, স্বপন কুমার রায় অত্যন্ত সুকৌশলে কয়েকজন ব্যবসায়ী ও শিক্ষকের নামে তিনটি বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজের কাছে রাখতেন। পিবিআই এসব অ্যাকাউন্টে প্রায় ২৯ লাখ ৩২ হাজার টাকার বেশি লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে। এই অর্থ পরবর্তীতে স্বপন ও তার সহযোগীরা তুলে আত্মসাৎ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিবিআই-এর পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, সরাইল থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর স্বপন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য বর্তমানে পিবিআই-এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন