চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ফুটবলপ্রেমীরা এক অনন্য ও ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হলেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ইরান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ২-২ গোলের শ্বাসরুদ্ধকর ড্র ম্যাচটি ফুটবল ইতিহাসে ৬৮ বছরের পুরোনো একটি বিরল রেকর্ডকে আবারও ফিরিয়ে এনেছে।
তবে এই রেকর্ডটি শুধু ইরান কিংবা নিউজিল্যান্ডের একার নয়; গত সোমবার (১৫ জুন) বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত চারটি ম্যাচের সবকটিই ড্র হওয়ায় এই অভূতপূর্ব কীর্তি গড়া সম্ভব হয়েছে। ওই দিন সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে গোলশূন্য (০-০) ড্রয়ে আটকে দেয় কেপ ভার্দে। অন্যদিকে বেলজিয়াম-মিশর এবং সৌদি আরব-উরুগুয়ের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচ দুটি ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়। দিনের শেষ ম্যাচে ইরান ও নিউজিল্যান্ড ২-২ গোলে ড্র করলে এক দিনে সব ম্যাচ অমীমাংসিত থাকার এই চক্র পূর্ণ হয়।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে একই দিনে সব ম্যাচ ড্র হওয়ার ঘটনা সর্বশেষ ঘটেছিল দীর্ঘ ৬৮ বছর আগে, ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে। কাকতালীয়ভাবে, ইতিহাসের পাতায় স্থান নেওয়া সেই দিনটিও ছিল ১৫ জুন। তবে ২০২৬ সালের এই দিনটি এক দিক থেকে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সম্পূর্ণ অনন্য। ৬৮ বছর আগে যেদিন এই কীর্তি গড়া হয়েছিল, সেদিন অন্য আরও ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই ম্যাচগুলোর স্পষ্ট ফলাফল এসেছিল। কিন্তু বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক দিনে অনুষ্ঠিত সবকটি ম্যাচই ড্র হওয়ার কোনো নজির আগে ছিল না। ফলে ২০২৬ সালের ১৫ জুন তারিখটি ফুটবল ইতিহাসে সম্পূর্ণ এক বিরল ও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল।
রেকর্ড গড়া দিনের শেষ ম্যাচে খেলার মাত্র ৭ মিনিটে অধিনায়ক ক্রিস উডের পাস থেকে গোল করে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে নেন এলিজাহ জাস্ট। তবে পিছিয়ে পড়েও দমে না গিয়ে ম্যাচের ৩২ মিনিটে রামিন রেজাইয়ানের গোলে সমতায় ফেরে ইরান। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে ক্রিস উডের আরেকটি চমৎকার অ্যাসিস্ট থেকে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করে কিউইদের আবারও লিড এনে দেন জাস্ট। কিন্তু এশিয়ান পরাশক্তি ইরান আবারও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায়; ৬৪ মিনিটে মোহাম্মদ মুহিবির এক অনবদ্য হেডে বল জালে জড়ালে ম্যাচটি ২-২ সমতায় শেষ হয়।
শেষ পর্যন্ত দুই দলই ১ পয়েন্ট করে নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ম্যাচটি ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে কেবল ফলাফলের জন্য নয়, বরং ৬৮ বছরের পুরোনো ফুটবল ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করার কারণে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ফুটবলপ্রেমীরা এক অনন্য ও ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হলেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ইরান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ২-২ গোলের শ্বাসরুদ্ধকর ড্র ম্যাচটি ফুটবল ইতিহাসে ৬৮ বছরের পুরোনো একটি বিরল রেকর্ডকে আবারও ফিরিয়ে এনেছে।
তবে এই রেকর্ডটি শুধু ইরান কিংবা নিউজিল্যান্ডের একার নয়; গত সোমবার (১৫ জুন) বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত চারটি ম্যাচের সবকটিই ড্র হওয়ায় এই অভূতপূর্ব কীর্তি গড়া সম্ভব হয়েছে। ওই দিন সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে গোলশূন্য (০-০) ড্রয়ে আটকে দেয় কেপ ভার্দে। অন্যদিকে বেলজিয়াম-মিশর এবং সৌদি আরব-উরুগুয়ের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচ দুটি ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়। দিনের শেষ ম্যাচে ইরান ও নিউজিল্যান্ড ২-২ গোলে ড্র করলে এক দিনে সব ম্যাচ অমীমাংসিত থাকার এই চক্র পূর্ণ হয়।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে একই দিনে সব ম্যাচ ড্র হওয়ার ঘটনা সর্বশেষ ঘটেছিল দীর্ঘ ৬৮ বছর আগে, ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে। কাকতালীয়ভাবে, ইতিহাসের পাতায় স্থান নেওয়া সেই দিনটিও ছিল ১৫ জুন। তবে ২০২৬ সালের এই দিনটি এক দিক থেকে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সম্পূর্ণ অনন্য। ৬৮ বছর আগে যেদিন এই কীর্তি গড়া হয়েছিল, সেদিন অন্য আরও ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই ম্যাচগুলোর স্পষ্ট ফলাফল এসেছিল। কিন্তু বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক দিনে অনুষ্ঠিত সবকটি ম্যাচই ড্র হওয়ার কোনো নজির আগে ছিল না। ফলে ২০২৬ সালের ১৫ জুন তারিখটি ফুটবল ইতিহাসে সম্পূর্ণ এক বিরল ও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল।
রেকর্ড গড়া দিনের শেষ ম্যাচে খেলার মাত্র ৭ মিনিটে অধিনায়ক ক্রিস উডের পাস থেকে গোল করে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে নেন এলিজাহ জাস্ট। তবে পিছিয়ে পড়েও দমে না গিয়ে ম্যাচের ৩২ মিনিটে রামিন রেজাইয়ানের গোলে সমতায় ফেরে ইরান। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে ক্রিস উডের আরেকটি চমৎকার অ্যাসিস্ট থেকে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করে কিউইদের আবারও লিড এনে দেন জাস্ট। কিন্তু এশিয়ান পরাশক্তি ইরান আবারও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায়; ৬৪ মিনিটে মোহাম্মদ মুহিবির এক অনবদ্য হেডে বল জালে জড়ালে ম্যাচটি ২-২ সমতায় শেষ হয়।
শেষ পর্যন্ত দুই দলই ১ পয়েন্ট করে নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ম্যাচটি ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে কেবল ফলাফলের জন্য নয়, বরং ৬৮ বছরের পুরোনো ফুটবল ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করার কারণে।

আপনার মতামত লিখুন