বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুরের আজকের সাফল্যের পেছনে রয়েছে এক চরম সংগ্রামের ইতিহাস। অভিনেতা জানান, তাঁর বাবা প্রযোজক সুরিন্দর কাপুর একসময় রাজেশ খান্নাকে নিয়ে একটি বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণ করে বক্স অফিসে ব্যর্থ হন। সেই ছবির লোকসানে কাপুর পরিবার কার্যত পথে বসেছিল এবং বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে বাবাকে কেউ নিতে না আসার মতো অপমান অনিলকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছিল।
বাবার সেই অসহায়তা এবং চোখের কোণে জমে থাকা জল দেখে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই হিরো হওয়ার কঠিন শপথ নেন অনিল কাপুর। প্রযোজকের ছেলে হওয়া সত্ত্বেও তাঁর জন্য পথ সহজ ছিল না; তাঁর বাবা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে অনিলকে নিজের যোগ্যতায় কাজ খুঁজে নিতে হবে। এরপর বাবার হার্ট অ্যাটাক এবং শারীরিক অসুস্থতা অনিলকে মানসিকভাবে আরও দৃঢ় করে তোলে এবং তিনি কঠোর পরিশ্রমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই শুরু করেন।
সাফল্য পাওয়ার পর অনিল কাপুর বাবার প্রযোজনা সংস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করেন এবং ‘লোফার’, ‘জুদাই’ ও ‘পুকার’-এর মতো একাধিক সুপারহিট সিনেমা উপহার দেন। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট ছবি দিলেও অনিল আজও তাঁর মা এবং পরিবারের সেই অভাবের দিনগুলোর আতিথেয়তার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। মূলত বাবার হারানো সম্মান ফিরিয়ে আনতেই তিনি বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী ও চিরযৌবন অভিনেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুরের আজকের সাফল্যের পেছনে রয়েছে এক চরম সংগ্রামের ইতিহাস। অভিনেতা জানান, তাঁর বাবা প্রযোজক সুরিন্দর কাপুর একসময় রাজেশ খান্নাকে নিয়ে একটি বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণ করে বক্স অফিসে ব্যর্থ হন। সেই ছবির লোকসানে কাপুর পরিবার কার্যত পথে বসেছিল এবং বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে বাবাকে কেউ নিতে না আসার মতো অপমান অনিলকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছিল।
বাবার সেই অসহায়তা এবং চোখের কোণে জমে থাকা জল দেখে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই হিরো হওয়ার কঠিন শপথ নেন অনিল কাপুর। প্রযোজকের ছেলে হওয়া সত্ত্বেও তাঁর জন্য পথ সহজ ছিল না; তাঁর বাবা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে অনিলকে নিজের যোগ্যতায় কাজ খুঁজে নিতে হবে। এরপর বাবার হার্ট অ্যাটাক এবং শারীরিক অসুস্থতা অনিলকে মানসিকভাবে আরও দৃঢ় করে তোলে এবং তিনি কঠোর পরিশ্রমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই শুরু করেন।
সাফল্য পাওয়ার পর অনিল কাপুর বাবার প্রযোজনা সংস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করেন এবং ‘লোফার’, ‘জুদাই’ ও ‘পুকার’-এর মতো একাধিক সুপারহিট সিনেমা উপহার দেন। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট ছবি দিলেও অনিল আজও তাঁর মা এবং পরিবারের সেই অভাবের দিনগুলোর আতিথেয়তার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। মূলত বাবার হারানো সম্মান ফিরিয়ে আনতেই তিনি বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী ও চিরযৌবন অভিনেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন।

আপনার মতামত লিখুন