কুড়িগ্রামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, নেতাকর্মীদের চরিত্রহনন এবং সাম্প্রতিক কিছু হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে জেলা মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দলের মধ্যে রাজনৈতিক সহমর্মিতা ও শিষ্টাচার বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে দুই দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যার ফলে জেলার কয়েকটি উপজেলায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এসব অপপ্রচার রুখতে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে নেতাকর্মীদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
উভয় দলের নেতারা একমত হন যে, অতীতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁদের মধ্যে যে সমন্বয় ছিল, তা ভবিষ্যতেও বজায় রাখা হবে। কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা সংঘাত এড়াতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন তাঁরা।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
কুড়িগ্রামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, নেতাকর্মীদের চরিত্রহনন এবং সাম্প্রতিক কিছু হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে জেলা মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দলের মধ্যে রাজনৈতিক সহমর্মিতা ও শিষ্টাচার বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে দুই দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যার ফলে জেলার কয়েকটি উপজেলায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এসব অপপ্রচার রুখতে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে নেতাকর্মীদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
উভয় দলের নেতারা একমত হন যে, অতীতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁদের মধ্যে যে সমন্বয় ছিল, তা ভবিষ্যতেও বজায় রাখা হবে। কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা সংঘাত এড়াতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন