যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ 'সিরিজ খাল' পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শনিবার এই খনন কাজের উদ্বোধনের পাশাপাশি তিনি খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক শার্শার উলাশী খাল পুনঃখনন উদ্বোধনের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় যশোরে এই নতুন প্রকল্পটি শুরু হলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সিরিজ খালটি খনন করা হচ্ছে, যার ফলে ওই অঞ্চলের ১৭টি গ্রাম দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প শেষ হলে স্থানীয় পর্যায়ে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতির ভিত্তি আরও মজবুত হবে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে শ্রমিকরা তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি খনন করবেন, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৭ লাখ ১৯ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। মূলত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে এই খাল খনন কর্মসূচিটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ 'সিরিজ খাল' পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শনিবার এই খনন কাজের উদ্বোধনের পাশাপাশি তিনি খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক শার্শার উলাশী খাল পুনঃখনন উদ্বোধনের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় যশোরে এই নতুন প্রকল্পটি শুরু হলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সিরিজ খালটি খনন করা হচ্ছে, যার ফলে ওই অঞ্চলের ১৭টি গ্রাম দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প শেষ হলে স্থানীয় পর্যায়ে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতির ভিত্তি আরও মজবুত হবে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে শ্রমিকরা তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি খনন করবেন, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৭ লাখ ১৯ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। মূলত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে এই খাল খনন কর্মসূচিটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন