শরীয়তপুরের ডামুড্যায় এসএসসি পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্রসচিব ও ট্যাগ অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন কেন্দ্রসচিব মো. আবদুল মজিদ খান এবং ট্যাগ অফিসার জাহিদুল ইসলাম।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে পরীক্ষা চলাকালে ডামুড্যা মুসলিম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১২ নম্বর হলে ওমর ফারুক নামের এক পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। ওমর ফারুক উপজেলার শিধলকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে অন্য বন্ধুদের সঙ্গে প্রশ্ন মেলাতে গিয়ে সে বিষয়টি বুঝতে পারে এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই দিনই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়। অভিযোগে সে উল্লেখ করে, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিদর্শককে জানানো হলেও কোনো ফল হয়নি। ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নে তার পরীক্ষা নেওয়ায় তার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আইয়ূবী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রসচিব ও ট্যাগ অফিসারকে চলমান পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বোর্ড প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
শরীয়তপুরের ডামুড্যায় এসএসসি পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্রসচিব ও ট্যাগ অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন কেন্দ্রসচিব মো. আবদুল মজিদ খান এবং ট্যাগ অফিসার জাহিদুল ইসলাম।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে পরীক্ষা চলাকালে ডামুড্যা মুসলিম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১২ নম্বর হলে ওমর ফারুক নামের এক পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। ওমর ফারুক উপজেলার শিধলকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে অন্য বন্ধুদের সঙ্গে প্রশ্ন মেলাতে গিয়ে সে বিষয়টি বুঝতে পারে এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই দিনই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়। অভিযোগে সে উল্লেখ করে, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কক্ষ পরিদর্শককে জানানো হলেও কোনো ফল হয়নি। ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নে তার পরীক্ষা নেওয়ায় তার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আইয়ূবী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রসচিব ও ট্যাগ অফিসারকে চলমান পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বোর্ড প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন