রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ শরিফুল ইসলাম নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার কাঁকনহাট বাজার এলাকার খাদ্য গুদামের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার শরিফুল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বালুরটুঙ্গী গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জেলা ডিবি পুলিশের একটি দল সাফিনা পার্ক ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছিল। এ সময় গোপন সংবাদ আসে যে, কাঁকনহাট খাদ্য গুদামের সামনে এক ব্যক্তি ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালালে শরিফুল পালানোর চেষ্টা করেন, তবে পুলিশ তাকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়।
আটক করার পর শরিফুলের দেহ তল্লাশি করে তার প্যান্টের পকেট থেকে একটি সাদা পলিথিনে মোড়ানো এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় গ্রেফতার শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ শরিফুল ইসলাম নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার কাঁকনহাট বাজার এলাকার খাদ্য গুদামের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার শরিফুল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বালুরটুঙ্গী গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জেলা ডিবি পুলিশের একটি দল সাফিনা পার্ক ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছিল। এ সময় গোপন সংবাদ আসে যে, কাঁকনহাট খাদ্য গুদামের সামনে এক ব্যক্তি ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালালে শরিফুল পালানোর চেষ্টা করেন, তবে পুলিশ তাকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়।
আটক করার পর শরিফুলের দেহ তল্লাশি করে তার প্যান্টের পকেট থেকে একটি সাদা পলিথিনে মোড়ানো এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় গ্রেফতার শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন