জাকাত ও ফিতরার মতো ইসলামের মৌলিক ইবাদতের চেয়ে চাঁদাবাজিকে শ্রেষ্ঠ বা উত্তম বলা ইসলামি শরিয়তের আলোকে একটি জঘন্য অপরাধ এবং ঈমানি অস্তিত্বের জন্য চরম হুমকি। সাম্প্রতিক সময়ে এমন বিতর্কিত বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে ইসলামি চিন্তাবিদ ও ফকিহগণ এর কঠোর বিধান জানিয়েছেন। ইসলামের অকাট্য কোনো ফরজ বিধানকে তুচ্ছজ্ঞান করা বা হারামের সঙ্গে তুলনা করে হারামকে শ্রেষ্ঠ বলা সরাসরি ‘কুফরি’র শামিল।
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, জাকাত ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের একটি, যার নির্দেশ পবিত্র কুরআনে নামাজের পাশাপাশি বারবার দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ফিতরা একটি ওয়াজিব ইবাদত। বিপরীতে, চাঁদাবাজি বা অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা ইসলামে ‘গসব’ ও ‘জুলুম’ হিসেবে গণ্য, যা একটি ভয়াবহ কবিরা গুনাহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিদায় হজের ভাষণে অন্যের জান-মাল ও সম্মানকে হারাম বা পবিত্র ঘোষণা করেছেন।
আকাইদ ও ফিকহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাব ‘আল-ফিকহুল আকবর’ এবং ‘ফতোয়ায়ে আলমগিরি’র উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, যদি কেউ সচেতনভাবে এবং বিশ্বাস রেখে বলে যে ‘জাকাতের চেয়ে চাঁদাবাজি ভালো’, তবে ওই ব্যক্তি ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে যাবে এবং তার আগের সব নেক আমল বাতিল হয়ে যাবে। ফতোয়ায়ে শামি অনুযায়ী, হারামের শ্রেষ্ঠত্ব ফরজের ওপর দেওয়া সরাসরি ধর্মত্যাগের নামান্তর।
যদি কেউ না বুঝে বা রাগের মাথায় এমন কথা বলে ফেলে, তবে তাকে দ্রুত লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং ঈমান নবায়ন করতে হবে। ইসলামের পবিত্র ইবাদতকে জঘন্য অপরাধের সঙ্গে তুলনা করা কোনো মুমিনের কাজ হতে পারে না। সমাজ ও রাষ্ট্রকে কলুষমুক্ত রাখতে এবং নিজের পরকাল বাঁচাতে প্রতিটি শব্দ উচ্চারণে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
জাকাত ও ফিতরার মতো ইসলামের মৌলিক ইবাদতের চেয়ে চাঁদাবাজিকে শ্রেষ্ঠ বা উত্তম বলা ইসলামি শরিয়তের আলোকে একটি জঘন্য অপরাধ এবং ঈমানি অস্তিত্বের জন্য চরম হুমকি। সাম্প্রতিক সময়ে এমন বিতর্কিত বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে ইসলামি চিন্তাবিদ ও ফকিহগণ এর কঠোর বিধান জানিয়েছেন। ইসলামের অকাট্য কোনো ফরজ বিধানকে তুচ্ছজ্ঞান করা বা হারামের সঙ্গে তুলনা করে হারামকে শ্রেষ্ঠ বলা সরাসরি ‘কুফরি’র শামিল।
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, জাকাত ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের একটি, যার নির্দেশ পবিত্র কুরআনে নামাজের পাশাপাশি বারবার দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ফিতরা একটি ওয়াজিব ইবাদত। বিপরীতে, চাঁদাবাজি বা অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা ইসলামে ‘গসব’ ও ‘জুলুম’ হিসেবে গণ্য, যা একটি ভয়াবহ কবিরা গুনাহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিদায় হজের ভাষণে অন্যের জান-মাল ও সম্মানকে হারাম বা পবিত্র ঘোষণা করেছেন।
আকাইদ ও ফিকহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাব ‘আল-ফিকহুল আকবর’ এবং ‘ফতোয়ায়ে আলমগিরি’র উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, যদি কেউ সচেতনভাবে এবং বিশ্বাস রেখে বলে যে ‘জাকাতের চেয়ে চাঁদাবাজি ভালো’, তবে ওই ব্যক্তি ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে যাবে এবং তার আগের সব নেক আমল বাতিল হয়ে যাবে। ফতোয়ায়ে শামি অনুযায়ী, হারামের শ্রেষ্ঠত্ব ফরজের ওপর দেওয়া সরাসরি ধর্মত্যাগের নামান্তর।
যদি কেউ না বুঝে বা রাগের মাথায় এমন কথা বলে ফেলে, তবে তাকে দ্রুত লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং ঈমান নবায়ন করতে হবে। ইসলামের পবিত্র ইবাদতকে জঘন্য অপরাধের সঙ্গে তুলনা করা কোনো মুমিনের কাজ হতে পারে না। সমাজ ও রাষ্ট্রকে কলুষমুক্ত রাখতে এবং নিজের পরকাল বাঁচাতে প্রতিটি শব্দ উচ্চারণে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন