প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল অর্থনীতির সময়ে দায়িত্ব নিয়েছে বর্তমান সরকার এবং বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়েই সরকার কাজ শুরু করেছে। আজ রবিবার (৩ মে) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী ‘জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত আড়াই মাসে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও তা এখনো সন্তোষজনক নয়। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে এবং সরকার দুর্নীতির সঙ্গে কোনোভাবেই আপস করবে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। ডিসিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সাশ্রয়, মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “সততা, মেধা ও দক্ষতাই সরকারের নীতি। পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করলে তা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর এবং এটি জনপ্রশাসনকে দুর্নীতির দিকে ঠেলে দেয়।” জনপ্রশাসনকে জনসেবার মান বাড়াতে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার জেলা প্রশাসকদের ওপর নির্ভরশীল। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, আগের সরকার দেশকে পুরোপুরি আমদানি নির্ভর করে ফেলেছিল এবং বিচার বিভাগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে রেখেছিল। বর্তমান সরকার একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে বদ্ধপরিকর এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জনভোগান্তি মোকাবিলা করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, আজ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান। ৪ মে থেকে ৬ মে পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে ৮ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিরা অংশ নিচ্ছেন, যেখানে মাঠ পর্যায় থেকে আসা বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল অর্থনীতির সময়ে দায়িত্ব নিয়েছে বর্তমান সরকার এবং বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়েই সরকার কাজ শুরু করেছে। আজ রবিবার (৩ মে) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী ‘জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত আড়াই মাসে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও তা এখনো সন্তোষজনক নয়। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে এবং সরকার দুর্নীতির সঙ্গে কোনোভাবেই আপস করবে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। ডিসিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সাশ্রয়, মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “সততা, মেধা ও দক্ষতাই সরকারের নীতি। পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করলে তা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর এবং এটি জনপ্রশাসনকে দুর্নীতির দিকে ঠেলে দেয়।” জনপ্রশাসনকে জনসেবার মান বাড়াতে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার জেলা প্রশাসকদের ওপর নির্ভরশীল। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, আগের সরকার দেশকে পুরোপুরি আমদানি নির্ভর করে ফেলেছিল এবং বিচার বিভাগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে রেখেছিল। বর্তমান সরকার একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে বদ্ধপরিকর এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জনভোগান্তি মোকাবিলা করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, আজ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান। ৪ মে থেকে ৬ মে পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে ৮ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিরা অংশ নিচ্ছেন, যেখানে মাঠ পর্যায় থেকে আসা বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন