দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি মাত্র ২৩ ঘণ্টা সচল থাকার পর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হলেও শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে তা পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে টানা ৬ দিন বন্ধ থাকার পর ইউনিটটি সচল করা হয়েছিল।
কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, টিউবে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে। বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রথম ইউনিট থেকে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্মাণকাল থেকেই কেন্দ্রটিতে বিভিন্ন কারিগরি সমস্যা বিদ্যমান, যার ফলে ইউনিটগুলো মাঝেমধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
পার্বতীপুরের এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা ব্যবহারের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে চালু করা হয়। প্রথমে ১২৫ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট দিয়ে কাজ শুরু হলেও ২০১৭ সালে ২৭৫ মেগাওয়াটের আরও একটি ইউনিট যুক্ত করা হয়। তবে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই কেন্দ্রটি কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।
এদিকে কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানিয়েছেন, কোল ইয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। উৎপাদিত কয়লা বিকল্প উপায়ে সংরক্ষণের বিষয়েও ভাবছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। কেন্দ্রটির এই বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়া জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি মাত্র ২৩ ঘণ্টা সচল থাকার পর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হলেও শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে তা পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে টানা ৬ দিন বন্ধ থাকার পর ইউনিটটি সচল করা হয়েছিল।
কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, টিউবে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে। বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রথম ইউনিট থেকে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্মাণকাল থেকেই কেন্দ্রটিতে বিভিন্ন কারিগরি সমস্যা বিদ্যমান, যার ফলে ইউনিটগুলো মাঝেমধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
পার্বতীপুরের এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা ব্যবহারের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে চালু করা হয়। প্রথমে ১২৫ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট দিয়ে কাজ শুরু হলেও ২০১৭ সালে ২৭৫ মেগাওয়াটের আরও একটি ইউনিট যুক্ত করা হয়। তবে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই কেন্দ্রটি কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।
এদিকে কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানিয়েছেন, কোল ইয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। উৎপাদিত কয়লা বিকল্প উপায়ে সংরক্ষণের বিষয়েও ভাবছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। কেন্দ্রটির এই বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়া জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।

আপনার মতামত লিখুন