ঢাকা নিউজ

চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের সবাই নিয়োগ পাচ্ছেন



চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের সবাই নিয়োগ পাচ্ছেন
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তা দূর করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি নিশ্চিত করেন যে, সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে কেউ বাদ পড়বেন না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর মধ্য থেকে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন উত্তীর্ণ হন, যাদের মধ্য থেকে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। যদিও এই নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া বিগত সরকারের আমলেই সম্পন্ন হয়েছিল, তবে বর্তমান সরকার মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত এই প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়ন ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রীর এই ঘোষণার ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকা হাজার হাজার প্রার্থীর দুশ্চিন্তার অবসান হলো। ডিসি সম্মেলনের আলোচনায় মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের যথাযথ পদায়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই নতুন শিক্ষকদের যোগদানের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সংকট অনেকটাই দূর হবে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের সবাই নিয়োগ পাচ্ছেন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তা দূর করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি নিশ্চিত করেন যে, সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে কেউ বাদ পড়বেন না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর মধ্য থেকে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন উত্তীর্ণ হন, যাদের মধ্য থেকে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। যদিও এই নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া বিগত সরকারের আমলেই সম্পন্ন হয়েছিল, তবে বর্তমান সরকার মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত এই প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়ন ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রীর এই ঘোষণার ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকা হাজার হাজার প্রার্থীর দুশ্চিন্তার অবসান হলো। ডিসি সম্মেলনের আলোচনায় মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের যথাযথ পদায়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই নতুন শিক্ষকদের যোগদানের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সংকট অনেকটাই দূর হবে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ