প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বোনাস থেকে খেলোয়াড়দের চাঁদা দিতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে কাবাডি ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। বিশ্বকাপ কাবাডি ও এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয়ী ১৫ জন নারী খেলোয়াড়ের বোনাস থেকে ১০ শতাংশ হারে প্রায় তিন লাখ টাকা কল্যাণ তহবিলের নামে কেটে রাখার পাঁয়তারা চলছে। গত মার্চে প্রধানমন্ত্রী পদকজয়ী প্রত্যেক খেলোয়াড়কে দুই লাখ টাকা করে বোনাস প্রদান করেন, যেখান থেকে জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে দাবি করছে ফেডারেশন।
পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন খেলোয়াড় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা এই বোনাসের অর্থ দিয়ে পরিবারের আর্থিক সমস্যা মেটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। ফেডারেশনের অর্থায়নে এই তহবিল গঠন না করে কেন তাদের কষ্টের টাকা থেকে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যদিও কিছু খেলোয়াড় ইতোমধ্যে অর্থ জমা দিয়েছেন, তবে অনেকেই এর বিরোধিতা করছেন।
ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান চুন্নু এই অর্থ আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে দাবি করেছেন যে, এটি দীর্ঘদিনের প্রচলিত নিয়ম। তবে বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হক ১০ শতাংশ হারে অর্থ নেওয়ার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, সাবেক কোষাধ্যক্ষ এসএমএ মান্নান জানিয়েছেন, অতীতে রেফারিদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অর্থ নেওয়া হলেও খেলোয়াড়দের বোনাস থেকে টাকা নেওয়ার কোনো রেকর্ড নেই।
এই ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক ও ঘৃণ্যতম কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক তারকা ফুটবলার ও ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল গাফফার। তিনি বলেন, ক্রীড়াবিদদের কল্যাণে ফান্ড গঠনের জন্য অনেক বিকল্প পথ থাকলেও তাদের বোনাসের টাকা থেকে কমিশন বা চাঁদা আদায় করা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরণের কর্মকাণ্ড ক্রীড়াবিদদের মানসিকভাবে ব্যথিত করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বোনাস থেকে খেলোয়াড়দের চাঁদা দিতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে কাবাডি ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। বিশ্বকাপ কাবাডি ও এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয়ী ১৫ জন নারী খেলোয়াড়ের বোনাস থেকে ১০ শতাংশ হারে প্রায় তিন লাখ টাকা কল্যাণ তহবিলের নামে কেটে রাখার পাঁয়তারা চলছে। গত মার্চে প্রধানমন্ত্রী পদকজয়ী প্রত্যেক খেলোয়াড়কে দুই লাখ টাকা করে বোনাস প্রদান করেন, যেখান থেকে জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে দাবি করছে ফেডারেশন।
পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন খেলোয়াড় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা এই বোনাসের অর্থ দিয়ে পরিবারের আর্থিক সমস্যা মেটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। ফেডারেশনের অর্থায়নে এই তহবিল গঠন না করে কেন তাদের কষ্টের টাকা থেকে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যদিও কিছু খেলোয়াড় ইতোমধ্যে অর্থ জমা দিয়েছেন, তবে অনেকেই এর বিরোধিতা করছেন।
ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান চুন্নু এই অর্থ আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে দাবি করেছেন যে, এটি দীর্ঘদিনের প্রচলিত নিয়ম। তবে বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হক ১০ শতাংশ হারে অর্থ নেওয়ার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, সাবেক কোষাধ্যক্ষ এসএমএ মান্নান জানিয়েছেন, অতীতে রেফারিদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অর্থ নেওয়া হলেও খেলোয়াড়দের বোনাস থেকে টাকা নেওয়ার কোনো রেকর্ড নেই।
এই ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক ও ঘৃণ্যতম কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক তারকা ফুটবলার ও ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল গাফফার। তিনি বলেন, ক্রীড়াবিদদের কল্যাণে ফান্ড গঠনের জন্য অনেক বিকল্প পথ থাকলেও তাদের বোনাসের টাকা থেকে কমিশন বা চাঁদা আদায় করা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরণের কর্মকাণ্ড ক্রীড়াবিদদের মানসিকভাবে ব্যথিত করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন