আধুনিক সমাজের কর্মব্যস্ততা ও ঘুমের অভাব নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে আয়োজিত হলো এক ব্যতিক্রমী ‘পাওয়ার ন্যাপ’ বা দ্রুত ঘুমের প্রতিযোগিতা। হন নদীর তীরে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কয়েকশ তরুণ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিজয়ী হয়েছেন ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্রাম ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারার গুরুত্ব তুলে ধরা। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও মানসিক চাপের জন্য পরিচিত সিউলের নাগরিকদের মধ্যে কার মস্তিষ্ক সবচেয়ে দ্রুত বিশ্রাম নিতে সক্ষম, তা পরখ করাই ছিল এই আয়োজনের উদ্দেশ্য।
প্রতিযোগিতায় একটি বিশেষ ব্যান্ডের মাধ্যমে প্রতিযোগীদের হার্টরেট বা হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণ করা হয়। যার হৃদস্পন্দন সবচেয়ে স্থির এবং শান্ত থাকে, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করার নিয়ম ছিল। শত শত তরুণ ও কর্মজীবী প্রতিযোগীকে অবাক করে দিয়ে ৮০ বছরের ওই বৃদ্ধ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই গভীর ঘুমে তলিয়ে যান এবং পুরো সময় অত্যন্ত স্থিতিশীল শারীরিক অবস্থা বজায় রাখেন।
বিচারক ও দর্শনার্থীরা বৃদ্ধের এই তাৎক্ষণিক শিথিল হওয়ার ক্ষমতায় বিস্মিত হয়েছেন, যাকে অনেকেই দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা ও মানসিক স্থিরতার ফল হিসেবে দেখছেন। আয়োজক সংস্থার মতে, বিশ্রাম কোনো বিলাসিতা নয় বরং একটি মৌলিক অধিকার—এই বার্তাটি মানুষের কাছে পৌঁছানোই ছিল তাদের লক্ষ্য।
বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম অনিদ্রাপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া জাগানো এই ‘পাওয়ার ন্যাপ’ প্রতিযোগিতাটি ক্লান্ত মানুষকে একটু থামতে এবং বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
আধুনিক সমাজের কর্মব্যস্ততা ও ঘুমের অভাব নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে আয়োজিত হলো এক ব্যতিক্রমী ‘পাওয়ার ন্যাপ’ বা দ্রুত ঘুমের প্রতিযোগিতা। হন নদীর তীরে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কয়েকশ তরুণ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিজয়ী হয়েছেন ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্রাম ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারার গুরুত্ব তুলে ধরা। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও মানসিক চাপের জন্য পরিচিত সিউলের নাগরিকদের মধ্যে কার মস্তিষ্ক সবচেয়ে দ্রুত বিশ্রাম নিতে সক্ষম, তা পরখ করাই ছিল এই আয়োজনের উদ্দেশ্য।
প্রতিযোগিতায় একটি বিশেষ ব্যান্ডের মাধ্যমে প্রতিযোগীদের হার্টরেট বা হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণ করা হয়। যার হৃদস্পন্দন সবচেয়ে স্থির এবং শান্ত থাকে, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করার নিয়ম ছিল। শত শত তরুণ ও কর্মজীবী প্রতিযোগীকে অবাক করে দিয়ে ৮০ বছরের ওই বৃদ্ধ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই গভীর ঘুমে তলিয়ে যান এবং পুরো সময় অত্যন্ত স্থিতিশীল শারীরিক অবস্থা বজায় রাখেন।
বিচারক ও দর্শনার্থীরা বৃদ্ধের এই তাৎক্ষণিক শিথিল হওয়ার ক্ষমতায় বিস্মিত হয়েছেন, যাকে অনেকেই দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা ও মানসিক স্থিরতার ফল হিসেবে দেখছেন। আয়োজক সংস্থার মতে, বিশ্রাম কোনো বিলাসিতা নয় বরং একটি মৌলিক অধিকার—এই বার্তাটি মানুষের কাছে পৌঁছানোই ছিল তাদের লক্ষ্য।
বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম অনিদ্রাপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া জাগানো এই ‘পাওয়ার ন্যাপ’ প্রতিযোগিতাটি ক্লান্ত মানুষকে একটু থামতে এবং বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন