ফেনীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার এক আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করায় ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত এবং ১২টি ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। রোববার কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বিতর্কিত ওই নেতা গাজী এনামুল হক সুজনকে দল থেকে বহিষ্কার এবং পৌর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল ঘোষিত পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের কমিটিতে সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করার পর জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ২০১৭ সালে মহিপালে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সুজন ২৫ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে নবঘোষিত কমিটির ছয়জন পদধারী নেতা তাৎক্ষণিক পদত্যাগ করেন। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তথ্য গোপন করে পদ নেওয়ায় সুজনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তার কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। একইসঙ্গে বিতর্কিত এই সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, তার ব্যাখ্যা দিতে পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কৃত এনামুল হক সুজন এই ঘটনাকে পারিবারিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলা হিসেবে দাবি করলেও কমিটির অন্য নেতারা বলছেন, তিনি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর একটি বাস পরিবহনের চেয়ারম্যানের করা মামলায় সুজনকে আসামি করা হয়েছিল, যা নিয়ে বর্তমানে ফেনী জেলা ও কেন্দ্রীয় যুবদলে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
ফেনীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার এক আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করায় ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত এবং ১২টি ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। রোববার কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বিতর্কিত ওই নেতা গাজী এনামুল হক সুজনকে দল থেকে বহিষ্কার এবং পৌর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল ঘোষিত পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের কমিটিতে সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করার পর জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ২০১৭ সালে মহিপালে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সুজন ২৫ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে নবঘোষিত কমিটির ছয়জন পদধারী নেতা তাৎক্ষণিক পদত্যাগ করেন। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তথ্য গোপন করে পদ নেওয়ায় সুজনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তার কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। একইসঙ্গে বিতর্কিত এই সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, তার ব্যাখ্যা দিতে পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কৃত এনামুল হক সুজন এই ঘটনাকে পারিবারিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলা হিসেবে দাবি করলেও কমিটির অন্য নেতারা বলছেন, তিনি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর একটি বাস পরিবহনের চেয়ারম্যানের করা মামলায় সুজনকে আসামি করা হয়েছিল, যা নিয়ে বর্তমানে ফেনী জেলা ও কেন্দ্রীয় যুবদলে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন