ঢাকা নিউজ

স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে অটোমেশনের পথে সরকার



স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে অটোমেশনের পথে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দূর করতে দ্রুত ‘অটোমেশন’ ও ‘ডিজিটালাইজেশন’ প্রক্রিয়া চালুর ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। রোববার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে এবং অনিয়ম রুখতে দ্রুতই ‘ই-হেলথ কার্ড’ ও ‘ই-প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫ বছরের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে। এই ভাঙাচোরা সিস্টেমকে আমূল বদলে দিতে সরকার একটি বিশাল ডিজিটাল আর্কিটেকচারের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। এর ফলে রোগীরা কার্যকর ‘রেফারেল সিস্টেম’-এর আওতায় ধাপ অনুযায়ী সঠিক জায়গায় চিকিৎসা পাবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কেনাকাটা ও জনবল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে অ্যালগরিদম ভিত্তিক অটোমেশন করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ১৫০০ কেনাকাটা ইউনিট এবং হাজার হাজার চিকিৎসক-নার্সের পদায়ন ও বদলিতে স্বচ্ছতা আনাই এর মূল লক্ষ্য। ইতোমধ্যে নতুন চিকিৎসকদের পদায়নে অটোমেশন পদ্ধতি সফল হয়েছে, যা বিশেষজ্ঞ সংকটের বৈষম্য দূর করতে সহায়ক হবে।

রোগীদের ওপর অপ্রয়োজনীয় ও দামী ওষুধের চাপ কমাতে ‘ই-প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থার ওপর জোর দেন ড. মুহিত। এর মাধ্যমে চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন মনিটর করা সম্ভব হবে এবং জেনেরিক নামের বদলে দামী ব্র্যান্ডের ওষুধ লেখার প্রবণতা কমে আসবে। পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ‘রি-মডেলিং’ করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে অটোমেশনের পথে সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

দেশের স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দূর করতে দ্রুত ‘অটোমেশন’ ও ‘ডিজিটালাইজেশন’ প্রক্রিয়া চালুর ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। রোববার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে এবং অনিয়ম রুখতে দ্রুতই ‘ই-হেলথ কার্ড’ ও ‘ই-প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫ বছরের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে। এই ভাঙাচোরা সিস্টেমকে আমূল বদলে দিতে সরকার একটি বিশাল ডিজিটাল আর্কিটেকচারের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। এর ফলে রোগীরা কার্যকর ‘রেফারেল সিস্টেম’-এর আওতায় ধাপ অনুযায়ী সঠিক জায়গায় চিকিৎসা পাবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কেনাকাটা ও জনবল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে অ্যালগরিদম ভিত্তিক অটোমেশন করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ১৫০০ কেনাকাটা ইউনিট এবং হাজার হাজার চিকিৎসক-নার্সের পদায়ন ও বদলিতে স্বচ্ছতা আনাই এর মূল লক্ষ্য। ইতোমধ্যে নতুন চিকিৎসকদের পদায়নে অটোমেশন পদ্ধতি সফল হয়েছে, যা বিশেষজ্ঞ সংকটের বৈষম্য দূর করতে সহায়ক হবে।

রোগীদের ওপর অপ্রয়োজনীয় ও দামী ওষুধের চাপ কমাতে ‘ই-প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থার ওপর জোর দেন ড. মুহিত। এর মাধ্যমে চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন মনিটর করা সম্ভব হবে এবং জেনেরিক নামের বদলে দামী ব্র্যান্ডের ওষুধ লেখার প্রবণতা কমে আসবে। পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ‘রি-মডেলিং’ করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ