চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঋণের টাকা আত্মসাতের দায়ে 'র্যাডল' (রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর ল্যান্ডলেস) নামক একটি এনজিওর মহাসচিব সৈয়দ হাসানুজ্জামান লোটনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, রাউজানের ডাবুয়া গ্রামের ভূমিহীনদের ঋণ বিতরণের জন্য সরকারি তহবিল থেকে টাকা গ্রহণ করলেও চুক্তি অনুযায়ী তা ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেন লোটন। তদন্তে দেখা যায়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রামের ১০টি আদর্শ গ্রামের ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ১২ লাখ ৫০০ টাকার মধ্যে ৭০ হাজার টাকা তিনি ব্যক্তিগতভাবে সরিয়ে ফেলেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. এনামুল ইসলাম জানান, সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় তাকে চার বছর এবং ৪২০ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৭২ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আসামি সৈয়দ হাসানুজ্জামান লোটন টাঙ্গাইল সদর এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। ২০১০ সালে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় ঘোষণা করা হলো।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঋণের টাকা আত্মসাতের দায়ে 'র্যাডল' (রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর ল্যান্ডলেস) নামক একটি এনজিওর মহাসচিব সৈয়দ হাসানুজ্জামান লোটনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, রাউজানের ডাবুয়া গ্রামের ভূমিহীনদের ঋণ বিতরণের জন্য সরকারি তহবিল থেকে টাকা গ্রহণ করলেও চুক্তি অনুযায়ী তা ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেন লোটন। তদন্তে দেখা যায়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রামের ১০টি আদর্শ গ্রামের ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ১২ লাখ ৫০০ টাকার মধ্যে ৭০ হাজার টাকা তিনি ব্যক্তিগতভাবে সরিয়ে ফেলেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. এনামুল ইসলাম জানান, সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় তাকে চার বছর এবং ৪২০ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৭২ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আসামি সৈয়দ হাসানুজ্জামান লোটন টাঙ্গাইল সদর এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। ২০১০ সালে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় ঘোষণা করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন