ঢাকা নিউজ

উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনে সরকারের নতুন নির্দেশনা



উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনে সরকারের নতুন নির্দেশনা
ছবি : সংগৃহীত

সরকার ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রেরণের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। যেসব শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের মৃত্যু বা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর সফটওয়্যারে যুক্ত করা যাচ্ছে না, তাদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করে আগামী ৭ মে’র মধ্যে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে গত রবিবার (৩ মে) এক চিঠির মাধ্যমে এই জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি কার্যক্রম চলাকালীন কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এনআইডি প্রদানের জটিলতা দেখা দেওয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীর শুধু বাবা বা শুধু মা জীবিত অথবা বাবা-মা কেউই জীবিত নেই কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে এনআইডি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাদের তথ্য আলাদাভাবে সংগ্রহ করতে হবে।

এই তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের। তাদের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক তথ্য নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে। ছকটিতে শ্রেণি, প্রতিষ্ঠানের নাম, শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং এনআইডি না থাকার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট উপজেলার নাম ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বর যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

চিঠিতে বিষয়টি ‘অতি জরুরি’ হিসেবে উল্লেখ করে জানানো হয়েছে যে, আগামী বৃহস্পতিবার বা ৭ মে’র মধ্যে এই তথ্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাতে হবে। এর ফলে অভিভাবকের এনআইডি সংক্রান্ত জটিলতায় যেসব শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, তাদের তথ্য হালনাগাদ করার পথ সুগম হলো। সরকার আশা করছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যোগ্য কোনো শিক্ষার্থী উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত হবে না।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনে সরকারের নতুন নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

সরকার ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রেরণের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। যেসব শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের মৃত্যু বা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর সফটওয়্যারে যুক্ত করা যাচ্ছে না, তাদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করে আগামী ৭ মে’র মধ্যে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে গত রবিবার (৩ মে) এক চিঠির মাধ্যমে এই জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি কার্যক্রম চলাকালীন কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এনআইডি প্রদানের জটিলতা দেখা দেওয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীর শুধু বাবা বা শুধু মা জীবিত অথবা বাবা-মা কেউই জীবিত নেই কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে এনআইডি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাদের তথ্য আলাদাভাবে সংগ্রহ করতে হবে।

এই তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের। তাদের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক তথ্য নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে। ছকটিতে শ্রেণি, প্রতিষ্ঠানের নাম, শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং এনআইডি না থাকার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট উপজেলার নাম ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বর যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

চিঠিতে বিষয়টি ‘অতি জরুরি’ হিসেবে উল্লেখ করে জানানো হয়েছে যে, আগামী বৃহস্পতিবার বা ৭ মে’র মধ্যে এই তথ্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাতে হবে। এর ফলে অভিভাবকের এনআইডি সংক্রান্ত জটিলতায় যেসব শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, তাদের তথ্য হালনাগাদ করার পথ সুগম হলো। সরকার আশা করছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যোগ্য কোনো শিক্ষার্থী উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত হবে না।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ