ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় নিখোঁজ ও মৃত জেলেদের পরিবারগুলোতে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও অনাহার বিরাজ করছে। নিখোঁজ হওয়ার ছয় মাস পার হলেও সন্ধান মেলেনি জেলে মিজানের, যার অপেক্ষায় থাকা স্ত্রী রোজিনা তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অন্যদিকে, গত মাসে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ হারানো জেলে জসিমের পরিবারও কোনো সহায়তা না পেয়ে অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের মিজানের পরিবার জানায়, উপার্জক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তারা এখন ধারদেনা ও মানুষের সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। সরকারি কোনো সহায়তা না পাওয়ায় সন্তানদের পড়াশোনা ও ভরণপোষণ প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। একইভাবে আহাম্মদপুর ইউনিয়নের জসিমের আকস্মিক মৃত্যুতে তার স্ত্রী রুমা ও তিন সন্তান দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ভোলা জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জুন্নু রায়হান অভিযোগ করেছেন যে, জসিম ও মিজানের মতো অনেক প্রকৃত মৎস্যজীবী এখনো জেলে কার্ড পাননি। অন্যদিকে, জেলে নন এমন অনেকে কার্ডের সুবিধা ভোগ করছেন। তিনি প্রকৃত জেলেদের দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, নিখোঁজ জেলের নামে কার্ড থাকলে আর্থিক সহায়তার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেন পরিবারগুলোর খোঁজ নিয়ে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এই আশ্বাস বাস্তবায়নের অপেক্ষায় দিন কাটছে অসহায় পরিবারগুলোর।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় নিখোঁজ ও মৃত জেলেদের পরিবারগুলোতে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও অনাহার বিরাজ করছে। নিখোঁজ হওয়ার ছয় মাস পার হলেও সন্ধান মেলেনি জেলে মিজানের, যার অপেক্ষায় থাকা স্ত্রী রোজিনা তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অন্যদিকে, গত মাসে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ হারানো জেলে জসিমের পরিবারও কোনো সহায়তা না পেয়ে অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের মিজানের পরিবার জানায়, উপার্জক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তারা এখন ধারদেনা ও মানুষের সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। সরকারি কোনো সহায়তা না পাওয়ায় সন্তানদের পড়াশোনা ও ভরণপোষণ প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। একইভাবে আহাম্মদপুর ইউনিয়নের জসিমের আকস্মিক মৃত্যুতে তার স্ত্রী রুমা ও তিন সন্তান দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ভোলা জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জুন্নু রায়হান অভিযোগ করেছেন যে, জসিম ও মিজানের মতো অনেক প্রকৃত মৎস্যজীবী এখনো জেলে কার্ড পাননি। অন্যদিকে, জেলে নন এমন অনেকে কার্ডের সুবিধা ভোগ করছেন। তিনি প্রকৃত জেলেদের দ্রুত নিবন্ধনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, নিখোঁজ জেলের নামে কার্ড থাকলে আর্থিক সহায়তার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেন পরিবারগুলোর খোঁজ নিয়ে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এই আশ্বাস বাস্তবায়নের অপেক্ষায় দিন কাটছে অসহায় পরিবারগুলোর।

আপনার মতামত লিখুন