একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুসম্পর্কের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬ এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ বিষয়ক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা জানান, পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সুদৃঢ় সম্পর্ক দেশের সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
বক্তব্যে ড. শামছুল ইসলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্কের গভীর শিকড়ের কথা উল্লেখ করেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে স্বাধীনতার যাত্রার কথা স্মরণ করার পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী বিভিন্ন সংকটে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জননিরাপত্তা রক্ষায় এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের কথা তিনি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপত্তার বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘হোল অব গভর্নমেন্ট অ্যাপ্রোচ’ (Whole of Government Approach) গ্রহণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তা এখন কেবল সীমান্ত রক্ষায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং সাইবার হামলা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয়গুলোও এর অন্তর্ভুক্ত। এ সময় তিনি প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করে মাঠ পর্যায়ে দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে তিনি বর্তমান সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসকদের কঠোরভাবে সতর্ক করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতি বা অপকর্মে জড়ালে সরকারের সহযাত্রী হতে পারবেন না। পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি ধারণ করে একটি বিভাজনমুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সিভিল ও মিলিটারি উভয় প্রশাসনকে একযোগে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুসম্পর্কের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬ এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ বিষয়ক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা জানান, পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সুদৃঢ় সম্পর্ক দেশের সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
বক্তব্যে ড. শামছুল ইসলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্কের গভীর শিকড়ের কথা উল্লেখ করেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে স্বাধীনতার যাত্রার কথা স্মরণ করার পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী বিভিন্ন সংকটে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জননিরাপত্তা রক্ষায় এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের কথা তিনি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপত্তার বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘হোল অব গভর্নমেন্ট অ্যাপ্রোচ’ (Whole of Government Approach) গ্রহণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তা এখন কেবল সীমান্ত রক্ষায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং সাইবার হামলা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয়গুলোও এর অন্তর্ভুক্ত। এ সময় তিনি প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করে মাঠ পর্যায়ে দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে তিনি বর্তমান সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসকদের কঠোরভাবে সতর্ক করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতি বা অপকর্মে জড়ালে সরকারের সহযাত্রী হতে পারবেন না। পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি ধারণ করে একটি বিভাজনমুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সিভিল ও মিলিটারি উভয় প্রশাসনকে একযোগে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন