পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচনে অনিয়ম ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে তিনি ইস্তফা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর এ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি কোনো বিতর্কে না জড়িয়ে কেবল সংবিধানের দিকে আঙুল দেখিয়ে বলেন, সবকিছুই সংবিধানে উল্লেখ করা আছে এবং এ নিয়ে তাঁর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
কলকাতায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এই পরাজয় জনমতের প্রতিফলন নয় বরং একটি বড় ষড়যন্ত্রের ফল। নিজ এলাকা ভবানীপুরে পরাজিত হওয়ার পরেও অনড় মনোভাব প্রকাশ করে তিনি জানান, সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী যা করার করা হতে পারে, কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় পদ ছাড়ছেন না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই ভবানীপুর কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এমন তীক্ষ্ণ ও পরিমিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এক ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ঘটেছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেছে বিজেপি। অন্যদিকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮০টি আসনে থিতু হয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজ কেন্দ্রে পরাজিত হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ জটিল রূপ নিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচনে অনিয়ম ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে তিনি ইস্তফা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর এ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি কোনো বিতর্কে না জড়িয়ে কেবল সংবিধানের দিকে আঙুল দেখিয়ে বলেন, সবকিছুই সংবিধানে উল্লেখ করা আছে এবং এ নিয়ে তাঁর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
কলকাতায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এই পরাজয় জনমতের প্রতিফলন নয় বরং একটি বড় ষড়যন্ত্রের ফল। নিজ এলাকা ভবানীপুরে পরাজিত হওয়ার পরেও অনড় মনোভাব প্রকাশ করে তিনি জানান, সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী যা করার করা হতে পারে, কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় পদ ছাড়ছেন না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই ভবানীপুর কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এমন তীক্ষ্ণ ও পরিমিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এক ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ঘটেছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেছে বিজেপি। অন্যদিকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮০টি আসনে থিতু হয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজ কেন্দ্রে পরাজিত হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ জটিল রূপ নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন