মাদকের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জের ভৈরবের পঞ্চবটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ লতিফা বেগম নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ম্যাজিস্ট্রেটের যৌথ অভিযানে তার বাসা থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে লতিফার ছেলে সাদ্দাম পালিয়ে গেলেও মাদক কেনাবেচাকালে হাতেনাতে দুই ক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত লতিফা বেগম ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়ে জানান, তার স্বামী আক্কাছ মিয়া ও দুই ছেলে দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রতিটি ইয়াবা ১৫০ টাকায় কিনে তারা ২৫০ টাকায় বিক্রি করতেন। তবে লতিফা নিজে জড়িত নন দাবি করে ক্ষমা চাইলেও আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং ৮ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
অভিযানে আটক মাদকসেবী জাকির হোসেন ও জিহাদ নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে কান্নায় ভেঙে পড়লেও সাজা থেকে রেহাই পাননি। জিহাদ জানান, মাদকের নেশায় তিনি চুরি-ছিনতাইয়ের মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়েছেন। আদালত জাকিরকে ১৫ দিন এবং জিহাদকে ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদানসহ বিভিন্ন অংকের অর্থদণ্ড দেন।
ভৈরব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর জানান, পঞ্চবটি এলাকায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদক কেনাবেচা হয়। মাদক নির্মূলে তাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিজুল হক জানান, মাদকের কারণে সমাজ নষ্ট হচ্ছে, তাই অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
মাদকের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জের ভৈরবের পঞ্চবটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ লতিফা বেগম নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ম্যাজিস্ট্রেটের যৌথ অভিযানে তার বাসা থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে লতিফার ছেলে সাদ্দাম পালিয়ে গেলেও মাদক কেনাবেচাকালে হাতেনাতে দুই ক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত লতিফা বেগম ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়ে জানান, তার স্বামী আক্কাছ মিয়া ও দুই ছেলে দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রতিটি ইয়াবা ১৫০ টাকায় কিনে তারা ২৫০ টাকায় বিক্রি করতেন। তবে লতিফা নিজে জড়িত নন দাবি করে ক্ষমা চাইলেও আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং ৮ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
অভিযানে আটক মাদকসেবী জাকির হোসেন ও জিহাদ নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে কান্নায় ভেঙে পড়লেও সাজা থেকে রেহাই পাননি। জিহাদ জানান, মাদকের নেশায় তিনি চুরি-ছিনতাইয়ের মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়েছেন। আদালত জাকিরকে ১৫ দিন এবং জিহাদকে ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদানসহ বিভিন্ন অংকের অর্থদণ্ড দেন।
ভৈরব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর জানান, পঞ্চবটি এলাকায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদক কেনাবেচা হয়। মাদক নির্মূলে তাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিজুল হক জানান, মাদকের কারণে সমাজ নষ্ট হচ্ছে, তাই অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন